সেনা মোতায়েন ও তিন ধাপে নির্বাচন করার প্রস্তাব

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ২১:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ভোটের ১৫ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সুপারিশ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি। এ ছাড়াও ১০০ আসন করে তিন ধাপে ৩০০ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি নিয়ে অংশ নেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। এরপর বিকেলে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে সংলাপ করে। সংলাপে দুই দল ইসিকে এসব প্রস্তাব দেয়।

মতবিনিময় শেষে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে আটটি ‍সুপারিশ করা হয়েছে। চারটি বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বর্তমান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেকোনো কারণেই হোক পলিটিসাইজড হয়ে গেছে। তাই তাদের ওপর জনগণ আস্থা রাখতে পারছে না যে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।

এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এবং এটি জনগণের বিশ্বাস বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম আরও বলেন, নির্বাচনের আট থেকে ১৫ দিন আগে আমরা সেনা মোতায়েনের জন্য কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছি।

কল্যাণ পার্টির অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইসির সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়া, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়া, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা এবং কোনো জোটের প্রার্থীদের শরিক দলের যেকোনো প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া।

বিকেলে সংলাপ শেষে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ বলেন, তারা সংলাপে দলের পক্ষ থেকে ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছেন। যার মধ্যে তিন ধাপে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তাবও রয়েছে।

সৈয়দ বাহাদুর শাহ বলেন, তফসিল ঘোষণার পর সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১০০ আসন করে তিন ধাপে ৩০০ আসনে নির্বাচন করতে হবে।

এ ছাড়া ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের অন্য প্রস্তাবগুলো হলো নির্বাচনী ব্যয় সংকোচন, কালোটাকার ব্যবহার রোধ ও সব নির্বাচনী ব্যয় নির্বাচন কমিশনের বহন, তফসিল ঘোষণার পর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে