সংবাদ প্রকাশের পর ভর্তির টাকা যোগার হল আল আমিনের

  ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি

১১ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৩:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

বাবা দিন মজুর। হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়া সত্বেও নিজের ইচ্ছাশক্তি ও বেসরকারী সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান ডপস’র আর্থিক সহায়তায় বিজ্ঞান বিভাগে ২০১৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ ও ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪.৬৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার অদম্য শিক্ষার্থী আল আমিন (১৮)। তিনি এ বছর গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এইচ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পান।

কিন্তু ভর্তির ২০ হাজার টাকা যোগার না হওয়ায় তার ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে গত ১০ ডিসেম্বর ‘দৈনিক আমাদের সময়’ অনলাইন ভার্সনে “২০ হাজার টাকার জন্য ভর্তি হতে পারছে না আল আমিন” এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর শেরপুরের সদর উপজেলার নবীনগর গ্রামের মো. আব্দুর রহমানের ছেলে শিক্ষক মো. আবু ইসহাকের দৃষ্টি গোচর হয়। পরে তিনি তাৎক্ষনিক আল আমিনের খোঁজ-খবর নেন।

আজ ১১ ডিসেম্বর সোমবার শেরপুর উত্তরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে আল আমিনের হাতে ভর্তির জন্য ২০ হাজার টাকা তোলে দেন শিক্ষক মো. আবু ইসহাক। এছাড়া ধলা ইউনিয়নের পাঞ্জুরভাঙ্গা গ্রামের মো. মজনু মিয়া আরও দুই হাজার টাকা তোলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহসিন আলী আকন্দ, সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মনিরুজ্জামান মনির, মো. বজলুর রশিদ, আল আমিনের বাবা হাবিবুর রহমান, মো. মজনু মিয়া, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো. জাহিদুল হক মনির প্রমূখ।   

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে