‘পাকিস্তানের অপকীর্তিগুলো লেখা থাকবে ইতিহাসে’

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২০:০২ | অনলাইন সংস্করণ

একাত্তরের গণহত্যা, বিভিন্ন জাতিসত্বার ওপর নিপীড়ন এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি পাকিস্তান স্বীকার করুক আর না করুক ইতিহাসে তাদের অপকীর্তির কথা লিখা থাকবেই। কারণ অপরাধী যতই মিথ্যাচারে লিপ্ত হোক না কেন, কখনোই ইতিহাসে তাদের ক্ষমা নেই বলে জানিয়েছেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এসময় জাতি সত্বার বিকাশে সঠিক ইতিহাস চর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
 
আজ শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে ‘ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ বিষয়ক ত্রয়োদশ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি  এসব কথা বলেন। ইতিহাস একাডেমি, ঢাকার উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, চার হাজার বছরের ইতিহাসসমৃদ্ধ এদেশের মানুষ সকল বাধা পেরিয়ে জঙ্গিমুক্ত, বৈষম্যহীন, সবুজ ও টেকসই এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়বেই। আধুনিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালি যে বীরত্ব ও ত্যাগ দেখিয়েছে, তা বিশ্বের বুকে বীরের জাতি হিসেবে বাঙালীকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পদ্মা-মেঘনা-যমুনার পানি আজো শহীদের রক্তে রক্তাক্ত, মাটিতে এখনো আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার রক্তের দাগ। এদেশের প্রতিটি কণা আক্রমণকারী পশুর বিরুদ্ধে আক্রান্ত মানুষের মাথা নত না করার সাক্ষী।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, রাজাকার, সামরিক ও সাম্প্রদায়িক চক্র পঁচাত্তর সাল থেকে যে অন্ধকার যুগের সূচনা করেছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা থেকে জাতিকে আলোর পথে নিয়ে চলেছেন, এই পথে জঙ্গি-সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। জিয়া এবং বিএনপি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে মদদ না দিলে জঙ্গিবাদের এতো উৎপাত হতো না, বহু আগেই জঙ্গিরা নির্মূল হতো, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতো।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে