কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরী থইথই

  নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

২১ এপ্রিল ২০১৭, ১৪:১৫ | আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৭, ১৭:২০ | অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে শুক্রবার সকালে কালবৈশাখীর মুষলধারে বৃষ্টিতে নগরীর কয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে ভয়ংকর রকমের জলাবদ্ধতা। নিচু এলাকায় ঘরবাড়িতে ঢুকে পড়েছে পানি। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে নাগরিক জীবনের। পাশাপাশি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও অলিগলি ডুবে গেছে। ফলে আটকা পড়েছে অনেক যানবাহন।

শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত আবহাওয়া অফিস যখন ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কর্ণফুলী নদীতে তখন জোয়ার। ফলে বৃষ্টির পানি নদীতে নামতে পারেনি। বেলা ১১টায়ও বৃষ্টি অব্যাহত ছিল।

আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহম্মদ বলেন, ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ছিল। কালবৈশাখীর প্রভাবে চট্টগ্রামজুড়ে এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আর এ বৃষ্টিপাতে নগরীর এক-তৃতীয়াংশ এলাকা ডুবে গেছে। এতে সমুদ্রবন্দরের জন্য কোনো সংকেত নেই।

এদিকে বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে তেমন যানবাহন চলাচল করছে না। যাও চলছে তার ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ।

মূলত ভোর ছয়টা থেকে এই বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, ষোলশহর, প্রবর্তক মোড়, জিইসি, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, হেমসেন লেন, হালিশহর, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, শুলকবহর, কাপাসগোলা, সিডিএ আবাসিক এলাকা পতেঙ্গাসহ নগরীর নিম্নাঞ্চল কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে।

আগ্রাবাদ এলাকায় এক্সেস রোড, শান্তিবাগ, বেপারিপাড়া, মুহুরীপাড়া, রঙ্গিপাড়া, শ্যামলী আবাসিক, আগ্রাবাদ হাউজিং, ছোটপুল এলাকায় পানি উঠে গেছে। প্রবর্তক মোড়, জিইসি মোড়, মুরাদপুর ও ষোলশহর এলাকায় রাস্তায় পানি ওঠার কারণে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সড়কে কর্মজীবি শ্রমিক তেমন দেখা না গেলেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া আসায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সরেজমিন পরিদর্শন করে জলাবদ্ধতার সঠিক কারণ ও করণীয় নির্ধারণে প্রকৌশলীদের  নির্দেশনা দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে