গৌরীপুরে ধর্ষণের পর হত্যাচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

১৭ জুলাই ২০১৭, ২১:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার তাঁতকুড়া গ্রামের এক গার্মেন্টস কর্মীকে (১৬) ধর্ষণের পর মারাত্মক রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় যুবক সাহিদের (২০) বিরুদ্ধে। গৌরীপুর থানা পুলিশ এ ঘটনায় সাহিদের বোনজামাই মঞ্জুরুল হককে গ্রেপ্তার করেছে।

ওই কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় ময়মনসিংহের সদর উপজেলার শম্ভুগঞ্জ বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে সোমবার সকালে উদ্ধার করেছে তার পরিবারের লোকজন। সে বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ধর্ষিতার বোনজামাই মোঃ আবুল খায়ের (৪২) জানান, তার শ্যালিকা ভালুকা উপজেলার মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে। শুক্রবার (১৪ জুলাই) রাত ৯ টার দিকে কারখানায় যাওয়ার পথে গৌরীপুর উপজেলার নন্দী গ্রামের ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে সাহিদ তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। পরে তাকে সিএনজিযোগে গৌরীপুর উপজেলার গুজিখা গ্রামে মঞ্জুরুল হকের বাড়ীতে নিয়ে আসে। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর থেকে তার শ্যালিকাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার ৩ দিন পর সোমবার সকালে তারা খবর পেয়ে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শম্ভুগঞ্জ বাসটার্মিনাল এলাকা থেকে রক্তাক্ত জখম ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে গৌরীপুর থানায় নিয়ে আসে। ওই দিনই মেয়েটিকে প্রথমে গৌরীপুর হাসপাতালে ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার আহাম্মেদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ধর্ষকের বোনজামাই মঞ্জুরুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে