৮২ নারীকে ধর্ষণ, কিন্তু মেয়ের কাছে ‘বেস্ট’ বাবা তিনি!

  অনলাইন ডেস্ক

১৭ এপ্রিল ২০১৭, ০৯:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়াল কিলিং-এর অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি ভোগ করছেন তিনি। বিচারের আদালতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ঠিক কতজনকে ধর্ষণ আর খুন করেছেন? কিন্তু তার সুস্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি মিখাইল পপকভ। সম্প্রতি সেই সংখ্যাটা জানা গেছে। ৮২ জন  নারীকে ধর্ষণের পর খুন করেছেন পপকভ। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার সাইবেরিয়ার শান্ত শহরে ২২ জন নারীকে খুন করার অভিযোগে ২০১৫ সালে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, অনেককে খুন করার পর তাদের দেহ থেকে মাথা আলাদা করে ফেলেছিল এই ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার। অনেকের দেহ ছিঁড়ে বের করে এনেছিল হৃপিণ্ড। প্রত্যেককে খুন করার আগে ও পরে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে মৃতদেহগুলো চরম বিকৃত করা হয়েছে।

পেশায় পুলিশ এ ব্যক্তি এতটায় নির্মম ছিলেন যে, নিজের মেয়ের স্কুলের শিক্ষিকাকে খুন করে তারই শেষকৃত্যের জন্য টাকা দিয়েছিলেন। পুলিশের গাড়িতে তুলে ধর্ষণ করে খুন করেন দুই ছাত্রীকেও। 

তবে পপকভের মেয়ে মানতে নারাজ যে তার বাবা একজন খুনি। মেয়ের কাছে পপকভ ‘বেস্ট’ বাবা। স্কুল শেষে মেয়েকে আনতে যাওয়া, একসঙ্গে গাড়ির মডেলের কালেকশন বানানো সবই করেছেন। শুধু তাই নয়, পেশাগত জীবনেও বেশ সুনাম ছিল পপকভের। শুধু একবার এক ধর্ষণকারীকে খুন করেছিলেন পুলিশের পোশাক পরেই। তাতে কোন শাস্তি হয়নি পপকভের। যদিও তার এই অপরাধের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, 

তবে সম্ভবত স্ত্রী’র অবৈধ সম্পর্কের জেরেই মাথা বিগড়ে যায় পপকভের। হঠাৎ একদিন মনে হয় যেভাবেই হোক একজন মেয়েকে খুন করতে হবে। সেই শুরু। এরপর থেকে রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশের পোশাকে, পুলিশের গাড়ি নিয়ে নাইটক্লাবের সামনে অপেক্ষা করত পপকভ। কোন মেয়ে একা বেরোলেই তাকে সাহায্য করার নামে গাড়িতে তুলে ধর্ষণ শেষে হত্যা করত। সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে