advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিমপাতার এত গুণ!

১৩ মার্চ ২০১৯ ১৪:৩৪
আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৯ ১৪:৩৫
advertisement

নিমপাতার গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই গাছকে ‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এ ঘোষণার পেছনে তো নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কারণ রয়েছে। হ্যাঁ, অবশ্যই রয়েছে। কারণ নিমগাছ হলো এমন একটি বৃক্ষ যার গুণাগুণ অন্য যেকোনো গাছের চেয়ে শতগুণ। নিমের শিকড় থেকে শুরু করে এর পাতা, বাকল এবং ডাল প্রত্যেকটি অঙ্গই মনুষ্য চিকিৎসায় যুগের পর যুগ ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

নিমপাতার গুণাগুণ সম্পর্কে নানা লোকের নানা মত। বাড়ির পাশেই যদি নিমগাছ থাকে তাহলে আপনি খুবই সৌভাগ্যবান। ছোটখাটো চিকিৎসায় চিকিৎসক ছাড়াই নিমপাতা কিংবা এর অন্যান্য অংশ দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সারতে পারবেন। চলুন জেনে নেই নিমপাতার গুণাগুণ সম্পর্কে-

  • কেটে গেলে, ক্ষত হয়ে গেলে কিংবা পোকার কামড় খেলে ক্ষতস্থানে নিমপাতা বাটা লাগিয়ে দিন। ইনফেকশন হবে না। ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।
  • খুশকি নিয়ে বর্তমানে বহু মানুষ সমস্যায় ভুগছেন। খুশকির সমস্যা থাকলে নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। পানির রং সবুজ হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। শ্যাম্পু করার পরে ওই জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন খুশকির পরিমাণ কমে যাচ্ছে।
  • চোখ জ্বালা করলে বা চোখ লাল হয়ে গেলে নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। পানি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে সেই পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
  • ব্রণ বা মুখে কালো ছোপ থাকলে নিমপাতা বাটা লাগিয়ে দিন।
  • মধুর সঙ্গে নিম পাতার রস মেশান। কানের ভিতর ইনফেকশন হলে বা কানের ভিতরে চুলকানি হলে এই মিশ্রণের দু-চার ফোঁটা কানের ভিতরে লাগান।
  • ত্বকে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে নিমপাতা বাটা মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
  • নিমপাতা কুচি করে এক গ্লাস জলের সঙ্গে মিশিয়ে খান। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়বে।
  • দাঁতে সমস্যা হলে বা মুখে দুর্গন্ধ হলে নিম ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজুন, দেখবেন মুখে আর দুর্গন্ধ থাকবে না।
  • ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও নিমপাতা খুব উপকারী। নিয়ম করে নিমপাতা খান।
  • পেটের সমস্যা হলেও নিমপাতা খেলে উপকার পাবেন।
advertisement