advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা রূপগঞ্জে

সিলেট ব্যুরো ও রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
১৫ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯ ১১:৪৫

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্থানীয় ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা সোহেল মিয়া (২৭) নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে পায়ের রগ কেটে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের টাওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোহেল মিয়া ভোলাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি টাওড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে।

এদিকে সিলেটের মদনমোহন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা রকি দেবের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে শিবিরকর্মীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের টিচার্স কমনরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রকি দেব নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

এ ঘটনায় কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম মিঞা।

রূপগঞ্জে নিহত সোহেলের বাবা মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, ভোলাব ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শরীফ মিয়াসহ তার লোকজন বিএনপির সমর্থক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তারা সব সময়ই সোহেলের পেছনে লেগে থাকত। এর আগেও একাধিকবার সোহেলসহ তার লোকজনের ওপর হামলা চালায় তারা। বুধবার রাত ৯টার দিকে সোহেল ও তার বন্ধু সিরাজ টাওড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল।

আদর্শ বিদ্যাপিঠ নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ইউপি সদস্য শরীফের নেতৃত্বে লোকমান, কামাল, সাদ্দত আলীসহ অন্তত ৭ জন সোহেলকে জোরপূর্বক উঠিয়ে বিলের দিকে নিয়ে যায় এবং দুই পায়ের রগ কেটে ও পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে সোহেলকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেওয়ার পথে মারা যায় সোহেল।

ছাত্রলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শহিদুল আলমসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, সোহেল হত্যার ঘটনায় তার বন্ধু সিরাজসহ চারজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ সেলিম মিঞা জানান, আহত রকির মাথায় ও হাতের আঙুলে ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। বর্তমানে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মদনমোহন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সানি জানান, সকালে শিবিরের কিছু কর্মী কলেজে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার চেষ্টা করছিল। তখন রকির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কর্মীরা তা প্রতিহত করেন। এর পরই দুপুরে শিবিরকর্মীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।