advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

দুরন্ত মেসি,শেষ আটে বার্সা

ক্রীড়া ডেস্ক
১৫ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯ ০১:০৯

চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘরের মাঠে আবারও দুর্দান্ত রূপে নিজেকে মেলে ধরলেন লিওনেল মেসি। জোড়া গোল করার পাশাপাশি দুই সতীর্থের গোলে রাখলেন অবদান। অধিনায়কের এমন জাদুকরী পারফরম্যান্সে লিঁওকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বার্সেলোনা।

আগের দিন মঙ্গলবার তুরিনে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নস লিগের ফিরতি লেগে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ভর করে এগিয়ে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে আসর থেকেই বিদায় করে দিয়েছে জুভেন্টাস। এক দিন পর ন্যু ক্যাম্পে জ্বলে ওঠেন মেসি। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার বলেন, ‘গতকাল ক্রিশ্চিয়ানোর পারফরম্যান্স ছিল মনোমুগ্ধকর। সেটি ছিল দারুণ বিস্ময়। কারণ আমি ভেবেছিলাম অ্যাটলেটিকোই শক্তিশালী।

কিন্তু জাদুকরী এক রাত উপহার দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো।’ ন্যু ক্যাম্পে বার্সাকে শুরুতে এগিয়ে নেওয়ার কাজটা করেছিলেন মেসিই। ১৮ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে পানেনকা শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। যদিও পেনাল্টির সিদ্ধান্তটা আরও একবার বিতর্ক উসকে দিয়েছে ভিএআর নিয়ে। লুইস সুয়ারেজের কাছ থেকে বল দখলের চেষ্টা করছিলেন লিঁও ডিফেন্ডার জেসন ডেনায়ের।

সুয়ারেজ এর পর পেনাল্টি আদায়ের কাজটা ভালোমতোই করেছেন, লুটিয়ে পড়েছেন মাটিতে। রেফারিও পরে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু ভিএআরও সেই সিদ্ধান্তটাই বহাল রাখে ন্যু ক্যাম্পে। পেনাল্টি আদায়ের পর সুয়ারেজই ছিলেন প্রথমার্ধে বার্সার সেরা খেলোয়াড়।

লিঁওর রক্ষণকে একাই তটস্থ করে রেখেছিলেন সুয়ারেজ। ৩১ মিনিটে তিনি হয়ে গেলেন আরও নিঃস্বার্থ, ডি-বক্সের বাইরে থেকে লিঁওর দুই ফুটবলারকে ফাঁকি দিয়ে একাই গোল করতে পারতেন। কিন্তু সেটা না করে স্কয়ার করলেন ফিলিপ কোটিনহোর কাছে। ফাঁকা বারে গোল করে এর পর সুয়ারেজের দিকেই ছুটেছেন কোটিনহো। দুঃসময়ে গোলটা দরকারই ছিল তার। সুয়ারেজের উপহার পেয়ে তাই কৃতজ্ঞতাও স্বীকার করলেন।

লিঁও অবশ্য তারও আগেই ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিল। নিয়মিত গোলরক্ষক অ্যান্থনি লোপেজ আঘাত পেয়েছিলেন মাথায়। সেটা নিয়েই খেলছিলেন। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যানেজার ব্রুনো জেনেসিও ঝুঁকি নেননি। লোপেজের অনিচ্ছার বিরুদ্ধেই তাকে বদলি করে ম্যাথু জর্জিলিনকে নামান তিনি। দ্বিতীয়ার্ধেও হেসে খেলেই জয়ের পথে এগোচ্ছিল বার্সা। মিডফিল্ডে আর্তুরো ভিদাল ছিলেন নিখুঁত, ৯৮ শতাংশ পাসই দিয়েছেন নির্ভুল। লুকাস তোসার্তের গোলে ম্যাচে আলো দেখতে পায় লিঁও। এর পর আর একটি গোল দরকার ছিল লিঁওর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে।

লিঁওর ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয় মেসির গোলেই। ৭৮ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে দুইজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলরক্ষককেও হার মানান মেসি। মেসির দুর্দান্ত ওই গোলে বিশ্বাসটাও ফিরে আসে ন্যু ক্যাম্পে। এর পর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা লিঁওকে কাউন্টার অ্যাটাকে আরও দুইবার শাস্তি দেয় বার্সা। দুবারই মেসি করেন অ্যাসিস্ট। পিকে করেছেন চতুর্থ গোল। ৮৬ মিনিটে ডেম্বেলেও পরে যোগ দিয়েছেন তার সঙ্গে। ডান পায়ের নিখুঁত ফিনিশে গোল করেছেন তিনি।