advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

অবৈধ ডিপোর কয়লা নিলামে বিক্রি করল বিআইডব্লিউটিএ

১৫ মার্চ ২০১৯ ০১:৩৪
আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৯ ১১:২৮

ঢাকার সাভার থানার বড়দেশী মৌজা, গাবতলী ও আমিনবাজার এলাকায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। তুরাগ নদের উভয় তীরে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দিন জানান, গত ২৯ জানুয়ারি থেকে গতকাল ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৮ কর্মদিবসে ২০২৬টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে অবমুক্ত জমির পরিমাণ ৫২ একর এবং গতকালের অভিযানে নিলামে এদিনের অভিযানে পাকা বাউন্ডারি ওয়াল ২০টি, বাঁশের জেটি ১৫টি, টিনের ঘর ২০টি উচ্ছেদ করা হয়।

এ ছাড়া আমিনবাজারে রাজ গ্রুপের একটি কয়লা ডিপো নদীর জমিতে এবং কোনো লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালনা করার তথ্য পান সংস্থাটির ম্যাজিস্ট্রেট। ওই সময়ে ডিপোর মালিক উপস্থিত না থাকায় পুরো কয়লা নিলামে বিক্রি করা হয়। ভ্যাট-আয়করসহ সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা দরদাতা হিসেবে কয়লার নিলাম পান দেলোয়ার হোসেন নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। পরে সেখানে হাজির হন ওই ডিপোর মালিক আবু তাহের রাজিব। তিনি দাবি করেন, নিজের জমিতে কয়লার ব্যবসা করছেন। তার বক্তব্য, নদীর জমি কতটুকু তা নির্দিষ্ট করে দিক। কোনো নির্দেশনা ছাড়াই কয়লার মজুদে নিলাম করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দর কর্মকর্তা একেএম আরিফ উদ্দীন জানান, কোনো ধরনের লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করার কারণে ডিপোটি উচ্ছেদ করতে জব্দকৃত কয়লার নিলাম করা হয়েছে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে তুরাগে পরবর্তী অভিযান চলবে।
এর আগে গত বুধবার মোহাম্মদপুরে ঢাকা উদ্যান, রামচন্দ্রপুর এলাকা এবং বিপরীত পাশে সাভার থানার বড়দেশী মৌজায় তুরাগতীরে সিলিকন সিটি হাউজিং, আকাশ নীলা ওয়েস্টার্ন সিটি লি., অনির্বাণ ও তুরাগ হাউজিং এলাকায় ৫৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ ছাড়া মঙ্গলবার মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় ৫৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।