advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

গুলির দৃশ্য লাইভ প্রচার করেছিল হামলাকারী

আমাদের সময় ডেস্ক
১৬ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ মার্চ ২০১৯ ১১:১৮

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে গুলির দৃশ্য ফেসবুকে লাইভ প্রচার করেছিল হামলাকারী ব্রেনটন ট্যারেন্ট। নিজের হেলমেটের সঙ্গে লাগানো গো-প্রো ক্যামেরা দিয়ে এই ভিডিও ধারণ করেছিল সে।

১৭ মিনিটের এই লাইভ স্ট্রিমিংয়ে ব্রেনটন নিজের পরিচয়ও দিয়েছে।

মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রথমে একটি গাড়ি নিয়ে ব্রেনটন তা পার্ক করে আল নুর মসজিদের পাশে। এ সময় গাড়িতে গান চলছিল। গাড়ি থেকে নামার আগে সে একটি অটোমেটিক রাইফেল বের করে। এ সময় গাড়ির ভেতর তার কাছে আরও অ্যাসল্ট রাইফেল দেখা যায়। গুলিভর্তি সেই রাইফেল নিয়ে ব্রেনটন শান্তভাবে মসজিদের প্রবেশপথেই একজনকে গুলি করে। এর পর ভেতরে ঢুকে একে একে যাকেই সামনে পেয়েছে তাকেই সে গুলি করেছে।

এ সময় অনেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরও গুলি করা হয়। আহত হয়ে অনেকে কাঁতরানোর সময় তাদেরও গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে সে। এমনকি স্তূপ হয়ে পড়ে থাকা লাশের ওপরও ট্যারেন্ট একাধিকবার গুলি করে। গুলি শেষ হয়ে গেলে সে বারবার ম্যাগাজিন রিলোড করছিল। ভয়াবহ ওই হামলায় আল নুর মসজিদেই ৩ বাংলাদেশিসহ মোট ৪১ জন প্রাণ হারান। প্রায় একই সময়ে হামলা হয় লিনউডের মসজিদেও। সেখানে প্রাণ হারান আরও ৮ জন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড এক খবরে জানিয়েছে, হামলার ভয়াবহ ভিডিওটি যাতে আর ছড়াতে না পারে এজন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। ক্রাইস্টচার্চের পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওর ব্যাপারে তিনি অবগত। এ ফুটেজ অনলাইন থেকে সরিয়ে ফেলতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন তারা।

আইসিটি প্রোভাইডার স্পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিমন মৌটার জানান, ওই ভয়াবহ ফুটেজ বিতরণের চেষ্টাকারী ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার কাজ চলছে। এ জন্য আমাদের গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। স্পার্কের মুখপাত্র এন্ড্রু পিরি বলেছেন, প্রযুক্তিকর্মীরা প্রাথমিকভাবে ওই ফুটেজ বিতরণকারী তিনটি সাইট শনাক্ত করেছেন। এ ধরনের সাইটগুলো বন্ধে ইন্টারনেট প্রোভাইডররাও একযোগে কাজ করছেন। এরইমধ্যে ‘ব্রেনটন ট্যারেন্ট’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।