advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘আমার বাড়ি আমার খামার’

মো. মাহফুজুর রহমান
২২ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৯ ১০:৩১
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের নাম বদলে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহেই এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। প্রকল্পটির একটি বাড়ি একটি খামার নামের পরিবর্তে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ নামকরণ করতে সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।

নাম পরিবর্তনের কারণ হিসেবে চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় ও অনুশাসন বিবেচনা করে নতুন নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘গ্রাম হবে শহর’, এমন উল্লেখ ছিল। সে অনুযায়ী সরকার গঠনের পর ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ স্লোগান সামনে রেখে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ স্লোগানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রধানমন্ত্রীর ১০ বিশেষ উদ্যোগের শীর্ষে থাকা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব আকবর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্তই নিজস্ব ধারণাপ্রসূত একটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় মডেল, যা দরিদ্র মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের সঙ্গে অনুদানে একটি বিনিয়োগযোগ্য স্থায়ী তহবিল তৈরি করে দেয়। প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র ও উপকারভোগী সদস্যদের পারিবারিক কৃষি খামারের মালিকানা আরও নিজের করে উপলব্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সদস্যদের অধিক সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

গতকাল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়। আগামী সপ্তাহের নতুন নামে পরিচিতি পাবে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প। প্ধা

নমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের প্রধান এ প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব আকবর হোসেন বলেন, বারবার এ পুঁজি ব্যবহার করে প্রতিটি দরিদ্র মানুষ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সমিতিভুক্ত সদস্যদের আয়বর্ধক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একসময় প্রতিটি সমিতির সদস্যরা আর্থিকভাবে এতটাই স্বয়ংসম্পূর্ণ হবেন, ঋণের জন্য অন্য কারও দ্বারস্থ হতে হবে না। এ পর্যন্ত প্রকল্পে ৯৫ হাজার ৬৯৩টি সমিতি গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪২ লাখের বেশি পরিবার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তারা নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পারিবারিক বলয়ে বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করেছে। এর মাধ্যমে ১১ লাখ ৮৮ হাজারটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খামার হয়েছে। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ২ কোটির বেশি দরিদ্র মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সুফল ভোগ করছেন। পরিকল্পনা রয়েছে জুন ২০২০ সালের মধ্যে ৫৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সমিতিভুক্ত করে দারিদ্র্যমুক্তির এ চলমান কর্মদ্যোগ অব্যাহত রাখা।

তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পের এ অগ্রযাত্রা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয় এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সহজ শর্তে সব ধরনের সেবা সব সময় পেতে পারেন, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠন করেছেন। দেশের ৪৮৪টি উপজেলায় সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক সঞ্চয় ও ঋণদান কার্যক্রমের মাধ্যমে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানালেন প্রকল্প পরিচালক।

advertisement