advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সময় চাইল বাফুফে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২২ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মার্চ ২০১৯ ২৩:৪৪
advertisement

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ জাতীয় নারী দল। গতবারের ফাইনালিস্ট এবার সেমিফাইনালেই বিদায়। ভারতের কাছে ৪-০ গোলের ব্যবধানে হেরে বাড়ির পথ ধরে গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। সাফ মিশন শেষে গতকাল ঢাকায় ফিরেছেন সাবিনা, কৃষ্ণা, মারিয়ারা। যে কোনো আসর শেষে এর সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে কাটাছেঁড়া চলে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপও ব্যতিক্রম নয়। সাফের এমন ব্যর্থতার জন্য বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড়ের আধিক্যকে দায়ী করেছেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। তবে এটা বড় কারণ মানতে নারাজ বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। তার দাবি, মেয়েরা এখনো শিখছে। সাফল্য পেতে সময় চেয়েছেন সাধারণ সম্পাদক।

বয়সভিত্তিক আসরগুলোয় দারুণ খেলছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সাফল্যও পাচ্ছে। অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব ১৬-এর সাফ এবং এএফসি দুটো আসরেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব লাভ করেছে। সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপেও বাজিমাত করেছে বাংলার মেয়েরা। বয়সভিত্তিকে দুর্দান্ত সাফল্য বয়ে আনলেও জাতীয় দলে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে। কেন সাফে ভালো করছে নাÑ এর জবাবে পল স্মলি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুর একাদশেই চারজন ছিল অনূর্ধ্ব-১৬ দলের খেলোয়াড়। সাবিনা ছাড়া বাদবাকি সবাই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের। আমি মনে করি জাতীয় পর্যায়ে নেপাল এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করা ঠিক হবে না। আমাদের বয়সভিত্তিক বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক খেলোয়াড় আছে। অথচ বাংলাদেশের একটা গ্রুপ বয়সভিত্তিকের একাধিক পর্যায়ে খেলে।’

মারিয়া, মনিকা, শামসুন্নাহার, তহুরা, আঁখি এদের বয়স ১৫ বছর কিংবা এর আশপাশে। অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সদস্য তারা। এই মেয়েরাই অনূর্ধ্ব-১৬ তেও খেলে, আবার মৌসুমি, কৃষ্ণা, সানজিদাদের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৮ তেও। মারিয়াদের দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যন্ত তবু চালানো যায়; কিন্তু তারা যখন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ভারত, নেপালের ২৩-২৫ বছর বয়সী মেয়েদের বিপক্ষে খেলতে নামে, সেখানে আর যা-ই হোক সাফল্য আকাশ-কুসুম কল্পনা!

এ অবস্থায় দলের কী করা উচিতÑ এমন প্রশ্নের জবাবে পল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘জাতীয় দলের জন্য থাকতে হবে পর্যাপ্ত সিনিয়র খেলোয়াড়। বয়স ও অভিজ্ঞতা থাকলে দলও ভারসাম্যপূর্ণ হবে। অভিজ্ঞরা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, পরিস্থিতি সামাল দিতে জানে এবং চাপ নিতে জানেÑ যা তরুণরা পারে না।’ এত বছরেও একটা পূর্ণাঙ্গ জাতীয় দল গঠন করতে পারেনি বাফুফে। তবু এটাকে ব্যর্থতা মানতে নারাজ বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, যে মেয়েরা আজ অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৮ তে খেলছে, তারা জাতীয় দলেও খেলছে। আমাদের হাতে ৫০-এর কিছু বেশি খেলোয়াড় আছে। তাদের বয়স খুব বেশি নয়। কিন্তু এই মেয়েরাই আগামী পাঁচ বছর বয়সভিত্তিকে খেলে যখন ২১-২২ বছরে পা দেবে, তখন ভালোমানের একটি জাতীয় দলে পরিণত হবে। এখন মেয়েরা শিখছে। আরও সময় লাগবে। অন্তত পাঁচ বছর তো লাগবেই।

advertisement
Evall
advertisement