advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফেল করার অধিকার দাবি স্বাধীনতা পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৯ ০০:৫৪
advertisement

পোশাক মালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দাবি করেছে স্বাধীনতা পরিষদ প্যানেল। এই প্যানেলের নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্বাচনে অংশ নিয়েছি, অন্তত ফেল করার অধিকারটা দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্লাবে ‘তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে মতবিনিময়সভায় এ কথা বলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম।

বিজিএমইএ নির্বাচন ‘২০১৯-২১’ মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে স্বাধীনতা পরিষদ। প্রধান বড় দুই প্যানেল সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের বাইরে তৃতীয় শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছে স্বাধীনতা পরিষদ। এই পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ করেন তিনি।

মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিজিএমইএর সাধারণ ভোটারদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। সাধারণ ভোটাররাই প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। আমরাও এটা চাই।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। শেষ সময় পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকব। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন করতে এসে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছি। সভাপতি হতে চাই না।ভোটাররা যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিক। পছন্দমতো নেতাকে নির্বাচন করুক। জয়-পরাজয় বিষয় নয়। তার পরও ভোট হোক। পরিচালকরা যাকে নির্বাচিত করবে, সে-ই সভাপতি হবে। তবে নির্বাচনে ফেল করার অধিকার দেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প নিয়ে আন্তর্র্জাতিক বাজারে নেতিবাচক প্রচারণা রয়েছে। ক্রেতাদের রয়েছে বিরূপ ধারণা। এ ধারণা পরিবর্তন করে ইমেজ পুনরুদ্ধার করা হবে। লবিস্ট নিয়োগসহ দেশ-বিদেশের প্রচারমাধ্যম ও দূতাবাসগুলোর সহযোগিতায় পোশাকশিল্পের ইতিবাচক ভামমূর্তি তৈরি করা।

তিনি জানান, পরিবর্তনশীল বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বহুমুখী পণ্য তৈরি করার জন্য বিজিএমইএতে দেশি-বিদেশিদের সহায়তায় একটি গবেষণা সেল গঠন করা হবে। কথায় কথায় শ্রমিকরা যেন রাস্তায় বের না হয়, সে জন্য ‘শ্রমিক-মালিক ভাই ভাই দেশ গড়তে একসঙ্গে কাজ করতে চাই’ সেøাগানকে সামনে নিয়ে কাজ করব।

তিনি জানান, ছোট বড় সব শিল্প যাতে সরাসরি কার্যাদেশ পেতে পারে সে জন্য বিভিন্ন ক্রেতার বিভিন্ন রকম কোড অব কন্ডাক্ট তৈরি করা হবে। বন্ড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, ইআরসি, আইআরসিসহ সব লাইসেন্সের মেয়াদ ন্যূনতম তিন বছরে উত্তীর্ণ করতে কাজ করা হবে বলে জানান পরিষদের আহ্বায়ক। এ সময় বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদ (২০১৯-২১) নির্বাচনের ১২ অঙ্গীকার দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করে প্যানেলটি।

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর পর বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন হবে আগামী ৬ এপ্রিল। দুই বছর মেয়াদি পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৬ পদে নির্বাচন হবে। ৯ পরিচালক সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন। পরিচালকরা বিজিএমইএর সভাপতি নির্বাচিত করবেন। এদিকে স্বাধীনতা পরিষদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। নির্বাচনে যৌথ প্যানেল জয়লাভ করলে ফোরামের লিডার হিসেবে বিজিএমইএর প্রথম নারী সভাপতি হবেন রুবানা হক। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী ।

advertisement