advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শেষ হলো লালন স্মরণোৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক,কুষ্টিয়া
২৩ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মার্চ ২০১৯ ০৯:০১
advertisement

লালনগীতি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে চৈত্রের দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে চলা লালন স্মরণোৎসব শেষ হয়েছে। গতকাল রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। লালন একাডেমির মূল মঞ্চে রাতের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে লালন সাঁইয়ের জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট আলোচকরা। আলোচনা শেষে মূল মঞ্চে একাডেমির শিল্পীরা লালনের আধ্যাত্মিক গান পরিবেশন করেন। এরই সঙ্গে শেষ হয় আখড়াবাড়ি চত্বরে বসা লালন মেলা। এদিকে উৎসব শেষে লালন ভক্ত ও সাধুরা আখড়া ছাড়তে শুরু করেছেন। তবে মানবধর্মের দীক্ষা নিতে বারবার লালনের বারামখানা দর্শনের প্রত্যাশা তাদের।

সাঁইজি ভক্তরা বলেন, ‘সাধু বারামখানা দর্শন করলাম, এটা মোহাব্বাতে সঙ্গে জিত হবে। ভাজান যাচ্ছি, আবার যদি বেঁচে থাকি তা হলে আসব।’

উল্লেখ্য, বাউলদের মাঝে আধ্যাত্মিক বাউল তত্ত বোঝানোর জন্যই লালন সাঁই তার জীবদ্দশায় ছেউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে প্রতিবছর চৈত্রের দোলপূর্ণিমা রাতে বাউলদের নিয়ে সাধু সঙ্গ উৎসব করতেন। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক তার মৃত্যুর পরও এ উৎসব চালিয়ে আসছে তার অনুসারীরা। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের স্মরণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় গত ২০ মার্চ দোলপূর্ণিমার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসব। লালন স্মরণে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার লালন অনুসারী, ভক্ত অনুরাগী ও দর্শনার্থী আখড়াবাড়িতে এসেছিলেন। উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।

advertisement