advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
বিজয়ের হ্যাটট্রিক সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৩ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৯ ২৩:৪৮
advertisement

১০০*, ১০১ ও ১০২। টানা তিন ম্যাচেই সেঞ্চুরির ইনিংস উপহার দিলেন এনামুল হক বিজয়। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ‘হ্যাটট্রিক’ সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়লেন এই ওপেনার। আগের রেকর্ডটি ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের। গত আসরের শেষ দিকে টানা তিন ম্যাচেই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক। আশরাফুলের রেকর্ডে বিজয়ের ভাগ বসানোর দিন উড়তে থাকা আবাহনীর জয়রথ থামিয়ে দিল প্রাইম ব্যাংক। প্রথম চার ম্যাচে টানা জয় তুলে নেওয়া আবাহনী গতকাল প্রাইম ব্যাংকের কাছে হেরেছে ১৬ রানের ব্যবধানে। টানা তৃতীয় জয় পেয়ে পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে উঠে এসেছে প্রাইম ব্যাংক। আবাহনীর সমান ৮ পয়েন্ট এখন প্রাইম ব্যাংকেরও। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অপর ম্যাচে মোহামেডানের বিপক্ষে ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে শেখ জামাল। অন্য ম্যাচে মেহেদী মারুফ (১৩৭) ও জাকের আলীর (১০৭*) সেঞ্চুরিতে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ৮ উইকেটের সহজ জয় পায় রূপগঞ্জ।

ফতুল্লায় ব্যাটিং-স্বর্গ উইকেটে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা প্রাইম ব্যাংক ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০২ রানের পুঁজি পায়। বিজয়ের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, আরিফুলের ঝড়ো ফিফটি ও অভিমন্যুর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে এই বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় দলটি। সানজামুলের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর ব্যক্তিগত ১০২ রানে সাজঘরে ফেরেন বিজয়। ১২৮ বল খেলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি। আগে শেখ জামাল ও রূপগঞ্জের বিপক্ষে যথাক্রমেÑ ১০১ ও অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বিজয়। ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রান আসে আরিফুলের ব্যাট থেকে। অভিমন্যু খেলেন ৮৫ রানের ইনিংস। আবাহনীর হয়ে মাশরাফি ১০ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে উইকেট পাননি। রুবেল, মোসাদ্দেক, সৌম্য, সানজামুল ও নাজমুল একটি করে উইকেট পান। ৩০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় আবাহনী। প্রাইম ব্যাংকের স্পিনারদের সামনে প্রত্যাশিতভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি সৌম্য, সাব্বির, মিঠুনরা। সর্বোচ্চ ৯৪ রান আসে ওয়াসিম জাফরের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৭৩ ও মোসাদ্দেক ৫২ রানের ইনিংস খেলেন। আল-আমিন, রাজ্জাক ও নাহিদুল ৩টি করে উইকেট পান। ম্যাচসেরা হন বিজয়।

বিকেএসপির মাঠে মোহামেডানের বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ওভারে ১২ রান দরকার ছিল শেখ জামালের। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শেখ জামালকে দারুণ জয় এনে দেন এনামুল হক (২)। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সব কটি উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে মোহামেডান। তাদের পক্ষে মজিদ ৫২, ডি সিলভা ৪৯, আশরাফুল ৪৪ রান করেন। সালাউদ্দিন পান সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রান তুলে শেখ জামাল। এনামুল ১৭ বলে অপরাজিত ২৮ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন। তবে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন ইমতিয়াজ হোসেন।

মিরপুরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পারভেজ রসুলের (৮৬) ফিফটির সুবাদে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রুপ। জবাবে মেহেদী মারুফ ও জাকের আলীর ব্যাটিং নৈপুণ্যে ২৭ বল হাতে রেখে ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় রূপগঞ্জ (২৫৩/২)। ১৩৭ বল খেলে ১২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ১৩৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মারুফ। ১২৬ বল খেলে ১৩টি চার ও একটি ছক্কায় অপরাজিত ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন জাকের। ম্যাচসেরা হন মারুফ।

advertisement