advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শ্রীপুরে মাঠে শুধুই বিভক্ত আ.লীগ

খান আবু হাসান,শ্রীপুর
২৩ মার্চ ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মার্চ ২০১৯ ০৯:১৯
advertisement

আগামী ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম শ্রীপুর উপজেলা। নির্বাচনী প্রচার, জনসংযোগ, মিছিল মিটিংয়ে ব্যস্ত প্রার্থীরা। বিএনপি নির্বাচনে না আসায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগেরই নেতারা। সব মিলিয়ে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলার তৃণমূল আওয়ামী লীগ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এর ফলে একে অন্যের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন।

এর ফলে ভোটের দিন সহিংসতার আশঙ্কা করছেন ভোটাররা। আট ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ। মোট ভোটার ১ লাখ ২৮ হাজার ৬১৩ জন। উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন। তারা হলেন-স্বতন্ত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা ও কেন্দ্রীয় যুব পরিষদের সভাপতি পঙ্কজ কুমার সাহা, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গণি শাহিন ও স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) এমডি খায়রুল ইসলাম।

আট ইউনিয়ন ঘুরে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুটি ভাগে ভাগ হয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থক আট ইউপি চেয়ারম্যান দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। তবে উপজেলা নির্বাচনে সাত চেয়ারম্যানই সরাসরি স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হোসেন মোল্যা, ইউনিয়ন পর্যায়ের তিন নেতা এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা নৌকার পক্ষে কাজ করছেন। ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে শঙ্কা।

নির্বাচনের দিন নৌকা প্রার্থী অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শঙ্কা প্রকাশ করেন। অবশ্য এ আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে নৌকার সমর্থক-নেতাকর্মী এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা জানান, উপজেলার মোট ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৩ হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের। যার অধিকাংশ ভোট নৌকার পক্ষে যাবে। তা ছাড়া বিএনপিসহ বিরোধী দল এই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী অনেক ভোট কম পাবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম বলেন, নৌকা প্রার্থী দলীয় নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে নিজে প্রতীক নিয়ে এসেছেন। আমাদের সমর্থন নেননি, আমরা আনারস প্রতীকের প্রার্থী মিয়া মাহমুদুল গণি শাহিনকে সমর্থন দিয়ে তার পক্ষে কাজ করছি। উপজেলার ৭২টি ওয়ার্ডের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী নৌকাকে হারানোর জন্য কাজ করছেন। এ বিষয়ে নৌকার প্রার্থী পঙ্কজ কুমার সাহা বলেন, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা আমাকে প্রতীক দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত সৈনিক নেতাকর্মীরা কখনো নৌকার সঙ্গে বেইমানি করবে না।

advertisement