advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সম্ভাবনার পথ দেখিয়ে শেষ হলো ‘অ্যাডভান্সিং ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০১৯’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:২৫ | আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:২৫

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো পাঁচ দিনব্যাপী ‘অ্যাডভ্যান্সিং ডিজিটাল বাংলাদেশ-২০১৯’ অনুষ্ঠান। ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পথ দেখিয়ে আজ  বৃহস্পতিবার শেষ হলো এই আয়োজন।

রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ের কাস্টমার সল্যুশন ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্ট্রিগেশন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে (সিএসআইসি) গত পাঁচ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান চলে। ‘ফাইভজি ইজ অন’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্কিং ইক্যুইপমেন্ট, তথ্য নির্ভর বড় বড় কারখানা পরিচালনা ব্যবস্থা, ফাইভজির প্রভাবে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং অন্যান্য হাইটেক সল্যুশনস প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফাইভজি চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈশ্বিক ডিজিটাল রূপান্তর, ফাইভজি চালুর সুযোগ, অপারেটরদের প্রস্তুতি এবং গ্রাহকদের মানিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানাতে গ্রাহক, অংশীদার এবং বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হুয়াওয়ে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০১৯ সালের মধ্যে কমপক্ষে ২০টি দেশ ফাইভজির বাণিজ্যিকীকরণ শুরু করবে। আর এই রূপান্তরের অন্যতম প্রধান একটি দিক হলো বিদ্যমান শিল্প খাতকে স্মার্ট ফ্যাক্টরিতে রূপান্তর করবে।

অনুষ্ঠানে ফাইভজির মূল বিষয়গুলো চিত্রায়নের মাধ্যমে দেখানো হয়। যার মধ্যে রয়েছে-স্পেকট্রাম, সাইট, যাতায়ত ও নীতিমালা। এ ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-রিমোট প্রডাকশন, ফাইভজি এয়ার ফাইবার, তারবিহীন সংযুক্ত কারখানা, জীবন্ত টেলিযোগাযোগ ক্লাউড, যাতায়ত ব্যবস্থার বিবর্তন, বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন, পর্যাপ্ত ডেটা স্টোরেজ, ফুল-স্টেক ক্লাউড এবং সমন্বিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

হুয়াওয়ে বিশ্বের অন্যতম তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিতকরণ ও উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি উন্নত ও সংযুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলাই হুয়াওয়ের উদ্দেশ্য। গ্রাহক-কেন্দ্রিক নতুনত্ব এবং উন্মুক্ত অংশীদারিত্বের দ্বারা পরিচালিত হয়ে হুয়াওয়ে একটি পরিপূর্ণ আইসিটি সমাধান পোর্টফোলিও প্রতিষ্ঠা করেছে যা গ্রাহকদেও টেলিকম ও এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক, ডিভাইস এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধাসমূহ প্রদান করে।

প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে সেবা দিচ্ছে যা বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার সমান। ১ লাখ ৮০ হাজার কর্মী নিয়ে ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে হুয়াওয়ে কাজ করে চলেছে। এই বিশাল সংখ্যক কর্মীরা বিশ্বব্যাপী টেলিকম অপারেটর, উদ্যোক্তা ও গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।