advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ট্রেইনিং সেন্টার শেয়ারিং’র মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ

১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:০২
আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:০৪

উন্নত বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার দিকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। অনলাইনের মাধ্যমে রাইড শেয়ার, খাবার অর্ডার, দৈনন্দিন কাজের জন্য হোম সার্ভিস কিংবা চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অ্যাকাডেমি এবং পেশাগত শিক্ষা বিস্তারে সেবা দিচ্ছে।

তবে ইশিখন.কম একটি অভিনব পদ্ধতি শুরু করেছে, যার মাধ্যমে অনেকটা রাইড শেয়ারিং এর মতোই ট্রেইনিং সেন্টার শেয়ারিং এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বেকার সমস্যা দূরীকরণের অন্যতম মাধ্যম ফ্রিল্যান্সিং। গ্রামের শিক্ষিত যুবক সমাজের ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে আগ্রহ থাকলেও দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক না থাকায় সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে পারছে না এবং বেকারত্ব থেকে মুক্ত হতে পারছে না। ইশিখন তাদের দক্ষ এবং অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে দেশের মানসম্মত ট্রেইনিং সেন্টারগুলো ব্যবহার করে দেশব্যাপী তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিচ্ছে। যাদের বাসায় ইন্টারনেট কিংবা কম্পিউটার নেই, তারা এসব ট্রেইনিং সেন্টারের মাধ্যমে ইশিখনের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং এ জনপ্রিয় ২৫টি কোর্সের যেকোনটিতে অংশ নিয়েই যেকেউ অনলাইনে আয় শুরু করতে পারবেন।

এ ছাড়াও রয়েছে আরও ১০টি অন্যান্য কোর্স। বিগত ৪ বছরে ইশিখন ১২,০০০ এর অধিক শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন। তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করে স্বাবলম্বী।

ইতিমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে ৪৫টি স্বনামধন্য ট্রেইনিং প্রতিষ্ঠানকে ইশিখন এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে এবং নতুন নতুন ট্রেইনিং সেন্টারগুলোও যুক্ত হচ্ছেন ইশিখনের সঙ্গে। অনলাইনে যারা কোর্স করবে তারা এসব সেন্টারগুলোতে বসে কাজ করতে পারবে। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য থাকছে ফ্রি ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ।

এজেন্ট সেন্টারসমূহ এবং নতুন এজেন্ট সেন্টারের আবেদনের বিস্তারিত এখানে: https://eshikhon.com/agents

তবে ইন্টারনেট কানেকশন এবং কম্পিউটার থাকলে ঘরে বসেই দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কোর্সগুলো করার সুযোগ থাকছে। প্রশিক্ষক যখন ক্লাস নিবে তখন কম্পিউটার মনিটরে শিক্ষার্থীরা দেখতে পাবে, সঙ্গে সঙ্গে মাইক্রোফোনে কিংবা চ্যাটের মাধ্যমে সরাসরি যেকোনো প্রশ্ন করা যাবে। প্রতিটি ক্লাস শেষে রয়েছে মডেল টেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট জমা এবং কোনো ক্লাস মিস করলে উক্ত ক্লাসের ভিডিও রেকর্ড প্রদান করা হবে।

এই বিষয়ে ইশিখন ডটকমের সিইও ইব্রাহিম আকবর বলেন, ‘বিগত ৪ বছর যাবত ইশিখন দেশব্যাপী অনলাইনে সাফল্যের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। দেশের সব স্বনামধন্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক থাকায়, অল্পদিনে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এবার সারা দেশে ৩ থেকে ৫ মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং কোর্স চালু করেছে ইশিখন। কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে একেবারে কমমূল্যে, সফলভাবে কোর্স শেষ হলে থাকছে চাকরির সুযোগ। ১২ থেকে ১৮ হাজার টাকা মূল্যের এই কোর্সসমূহ শুধুমাত্র ১২০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা ফি এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।’