advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কিশোর আহমেদ হত্যায় ২ সহোদরের ফাঁসি

আদালত প্রতিবেদক
১৫ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:২৩ | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:২৩

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ২০১১ সালে কিশোর আহমেদ আলী (১৫) হত্যা মামলায় দুই সহোদরের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে মামলায় অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. রবিউল আলম এ রায় দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সহোদর হলেন- মো. শাহাদাত হোসেন বাবু (৪২) এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন পিপলু (৩৪)

দণ্ডিতরা রাজধানীর তৎকালীন সবুজবাগ থানাধীন ১৭ নম্বর উত্তর মাদারটেকের মৃত মো. সায়েদ আলীর ছেলে। বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- মো. গুলজার হোসেন, বাদল হোসেন ও মো. রমিজ উদ্দিন।

এদিকে মামলাটিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাইয়ের বাবা মৃত মো. সায়েদ আলী ও মো. মিলন মিয়া নামে একজন আসামি ছিলেন। তারা মামলাটির বিচারকালীন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মামলায় নিহত আহমদের মা মিসেস নার্গিস আওশর অভিযোগ করেন, আসামিরা আগে থেকেই বাদিনী ও তার পরিবারকে তাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ এবং হত্যারচেষ্টা করে আসছিল। একই কারণে ২০১১ সালের ১১ মে রাত ৯টার দিকে বাদিনীর ছেলে আহমেদ আলীকে (১৫) একা পেয়ে ৫৮১, পূর্ব গোরান্থ হোল্ডিয়ের আতিকের চায়ের দোকানের পেছনে গলাগেটে জবাই করে এবং পেট কেটে নারিভুড়ি বের করে নির্মমভাবে হত্যা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর ডিবির ইন্সপেক্টর সাদিক মজিবুর রহমান ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল আদালতে সাত জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। পরের বছর ২ অক্টোবর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। মামলাটির বিচারকালে সায়েদ আলী ও মিলন মিয়া মারা যায়।

মামলার বিচারকালে আদালত চার্জশিটের ৩১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষী প্রদানকারীদের মধ্যে তিন জনের আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দী ছিল। গত বছর ৭ অক্টোবর আদালতে আসামিদের আত্মসপক্ষ শুনানির পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।