advertisement
advertisement

ইরাকে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৩০ | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৩০

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে নানা উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করা হয়েছে । দিবসের শুরুতে আগত সবাইকে পান্তা, ভর্তা, ইলিশ ও পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

এর পরে দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ রেজাউল কবীর (কাউন্সিলর, শ্রম), দূতালয়ের প্রধান মো. অহিদুজ্জামান লিটন ও প্রথম সচিব (শ্রম)  আবু সালেহ মোহাম্মদ ইমরানের  নেতৃত্বে দূতাবাসের সামনে সড়কে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। এ সময় তাদের পরিবারের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা এতে অংশ নেন।

বর্ষবরণকে ঘিরে দূতাবাস প্রাঙ্গনে ছিল এক উৎসব মুখর পরিবেশ। প্রাণের হিল্লোল, আবেগ, ভালোবাসা ও হৈ- হুল্লোড়ে দূতাবাস হয়ে উঠে এক অনাবিল মিলন মেলায়। সারা দিন একে অপরের প্রতি শুভেচ্ছা বিনিময়, খেলাধূলা, নাচ-গান, হাড়িভাঙা, নারীদের জন্য বালিস খেলা ইত্যাদিতে যেন বাঙালির জেনেটিক সূত্রধরে মস্তিস্কের আবেগময় অংশ আলোড়িত হচ্ছিল।

এছাড়া প্রবাসী ও দূতাবাস পরিবারের অংশগ্রহণে ছিল বৈশাখী মেলা। উপস্থিত সবাইকে দুপুরের আহারে বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয়। দিবসকে ঘিরে দূতালয় প্রধান মো. অহিদুজ্জামান লিটনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মুহা. রেজাউল কবীর বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি দিন, প্রতিটি মূহূর্ত আনন্দময় হোক। বাংলা নতুন বছর সবার জীবনকে পূর্ণতায় ভরিয়ে তুলুক। প্রিয় মাতৃভূমি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত থাকুক জঙ্গিবাদ ও অমানবিকতার কালো থাবা থেকে। সকলের হৃদয়ের মণিকোঠায় চিরজাগরূক থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাপকভাবে সারা দেশে একযোগে পালিত হচ্ছে।’

আলোচনায় আরও অংশ নেন- প্রথম সচিব (শ্রম) আবু সালেহ মোহাম্মদ ইমরান, দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ, কমিউনিটির পক্ষে আব্দুল কুদ্দুস, মজিদ প্রমুখ। পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত শিশুদের ও বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।