advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফের অস্বস্তিতে মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:০৬

ভারতে স্বাধীনতার পর মোদি সরকারের আমলে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ দেখিয়েছিল খোদ সরকারি জরিপই। সেই তথ্যটি ফাঁস হয়েছিল নির্বাচনের আগেই। সেই সময় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

সেই একই বিষয়টি আরেকটি জরিপের ফল প্রকাশ হয়েছে তাতে দেখা যায় ২০১৬ সালের পর চাকরি খুইয়েছেন প্রায় ৫০ লাখ কর্মী। আর ওই সময়ই বিজেপি সরকার ভারতের ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোট আকস্মিকভাবে নিষিদ্ধ করে। সেটি ছিল বিজেপি সরকারের তুমুল বিতর্কিত সিদ্ধান্ত।

গতকাল ভারতের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রকাশিত জরিপে বেকারত্বের জন্য সরাসরি নোটবন্দিকে দায়ী করা হয়নি। তবে ফলাফল নোট বন্দির কারণেই এক সঙ্গে এত-সংখ্যক লোক চাকরি হারিয়েছে। এতে আবারও অস্বস্তিতে পড়েছে নরেন্দ্র মোদি।

এ জরিপটি করেছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন অধ্যাপক। সমীক্ষায় বলা হয়, ২০১১ সাল থেকেই কর্মসংস্থানের হার কমতে থাকে। কিন্তু ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরের পর এই সংখ্যা আরও কমতে থাকে। এতে চাকরি হারানোর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ লাখে।

মোদির প্রচারে খরচ ৫ হাজার কোটি রুপি : ২০১৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রেকর্ড জয় পেয়েছিল বিজেপি। আজ ৫ বছর পর অঙ্ক বলছে, এ সময়ে শুধু মোদির প্রচারেই খরচ হয়েছে ৫ হাজার কোটি রুপি। ‘আমি অনগ্রসর তাই আমার জাতটাই চোর’ : কংগ্রেসের সভাপতি নরেন্দ্র মোদিকে চৌকিদার চোর বলে নানা সময় ইঙ্গিত করেছেন।

সেই জবাব নানা সময় নানাভাবে দিয়েছেন মোদি। গতকাল দিলেন পাল্টা খোঁচা। বললেন, আমি গরিব অনগ্রসর মানুষ। তাই এক নামী ব্যক্তি অনগ্রসর সবাইকে চোর বানিয়ে দিলেন। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।