advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইউনাইটেডকে নিয়ে মেসির ছেলেখেলা

ক্রীড়া ডেস্ক
১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২৪

চ্যাম্পিয়নস লিগের আগের তিন মৌসুমে এই কোয়ার্টার ফাইনালেই থেমে গিয়েছিল বার্সেলোনার যাত্রা। ব্যাপারটা বার্সার মতো দলের জন্য ছিল মারাত্মক অস্বস্তির। অবশেষে সেই গেরো কাটল বার্সার। গেরো কেটেছে লিওনেল মেসিরও। তার হাত ধরেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে দ্বিতীয় লেগে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সা।

মেসি করেছেন জোড়া গোল, তার সঙ্গে যোগ করেছেন ফিলিপ কোটিনহো। দুই লেগ মিলিয়ে তাই ৪-০ গোলের জয়ে বার্সেলোনা উঠে গেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে। ভালো একটি শুরুর পরও ইউনাইটেড মাত্র চার মিনিটের মধ্যে কার্যত মেসির কাছে পরাজিত হয়েছে। অসতর্ক অ্যাশলে ইয়ংয়ের ভুলে এবং পরে গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়ার সুবাদে ১৬ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে মেসি দুটি গোল উপহার পেয়েছেন।

advertisement

৬১ মিনিটে ফিলিপ কোটিনহোর কার্লিং শটে বার্সেলোনা ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। আর এতে প্রথম লেগে ১-০ গোলে জয়ী বার্সেলোনা দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০তে এগিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। মেসির পাশাপাশি সম্ভবত মৌসুমের সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে কোটিনহো নিজেকে পুরো ম্যাচেই প্রমাণ করেছেন। তাদের দৃঢ়তায় ইউনাইটেড আরও বড় ব্যবধানে পরাজয়ের লজ্জা পেতে পারত।

বার্সেলোনার কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে বলেছেন, ‘প্রথম পাঁচ মিনিট আমরা কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলাম। কারণ তারা দারুণভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। কিন্তু বাকি ৮৫ মিনিট আমরা ভালোই খেলেছি।’ ম্যাচের শুরুতে মার্কাস রাশফোর্ডের শট ক্রসবারে লেগেছে, কিন্তু তার পর পুরো ম্যাচে ইউনাইটেডের তেমন কোনো ভালো সুযোগ নজরে আসেনি। সুযোগ দূরে থাক উল্টো নিজেদের কয়েকটি ভুলে বার্সার জয় নিশ্চিত হয়েছে। যদিও গোলগুলোর পেছনে মেসির অবদানও ছিল। মেসি বলেই হয়তো ভুলগুলোর সুযোগ শতভাগ কাজে লেগেছে।

ম্যাচ শেষে ইউনাইটেড কোচ ওলে গানার সোলশায়ার বলেছেন, ‘আমরা সবাই আজ একটি বিষয়ে একমত হয়েছি কোনো কিছুই রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যাবে না। বার্সেলোনা কিংবা এই মানের কোনো দলের সমকক্ষ হতে হলে আগামী কয়েক বছর আমাদের প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে।’ এ নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১১০-এ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১২৬ গোলের বিপরীতে হয়তোবা তিনটি অতিরিক্ত ম্যাচে মেসির সামনে এই পার্থক্য কমানোর সুযোগ আসবে।