advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এবার আয়াক্সের শিকার জুভেন্টাস

ক্রীড়া ডেস্ক
১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২৫

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে পিছিয়ে থেকেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল জুভেন্টাস। কোয়ার্টার ফাইনালে আয়াক্সের বিপক্ষেও প্রথম লেগে পর্তুগিজ সুপারস্টারের গোলেই ১-১ ড্র নিয়ে ফিরতে পেরেছিল জুভেন্টাস।

অ্যাওয়ে গোল স্বপ্ন দেখাচ্ছিল তুরিনের ওল্ড লেডিদের। দ্বিতীয় লেগে আবারও জুভেন্টাসের ত্রাতারূপে ফিরেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো। তার গোলেই এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। তবে শেষ হাসি হাসল ডাচ দল আয়াক্সই। এবারের মৌসুমে যেন রূপকথার গল্পের মঞ্চায়ন করে চলছে দলটি।

মাদ্রিদ বা তুরিন, দুই রাউন্ডেই প্রথম লেগে দারুণ পারফরম্যান্সের পরও তাদের ওপর বাজি ধরার লোকের সংখ্যা ছিল অল্প। একদিকে আয়াক্সের তরুণরা, অন্যদিকে রিয়াল-জুভেন্টাসের হেভিওয়েটরা। কিন্তু স্পেন, ইতালিÑ চ্যাম্পিয়নস লিগের দুই রাউন্ডেই শেষ হাসিটা হাসল ডাচরাই। সেই ১৯৯৭ সালে শেষবার সেমিফাইনাল খেলেছিল তারা, এই মৌসুমে বাছাইপর্ব খেলে আসতে হয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগে। সেই আয়াক্সই ২২ বছর পর চলে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর পর তুরিনের জুভেন্টাস স্টেডিয়ামও শুনল আয়াক্সের তারুণ্যের জয়গান। পিছিয়ে পড়েও তুরিনে ২-১ গোলে এবং দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলের জয়ে সেমিতে গিয়ে রূপকথার গল্পটা এগিয়েই নিচ্ছে আয়াক্স।

ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত কোচ এরিক টেন হেগ বলেন, ‘আয়াক্সের জন্য এটা একটি স্মরণীয় রাত। শুধু খেলোয়াড় নয় পুরো ডাচ ফুটবলের জন্যই এটি গর্বের বিষয়। আরও একবার আমরা ফেভারিটদের বিদায় করলাম। আগেও আমরা বলেছি এ টুর্নামেন্টে আমরা ফেভারিট নই, যে কারণে আমাদের হারানোর কিছু নেই। কিন্তু আমাদের দর্শন হচ্ছে সামনে এগিয়ে যাওয়া। আবারও আমরা নিজেদের সীমানা অতিক্রম করেছি।’

এদিকে এ নিয়ে গত পাঁচ মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো শেষ চারে খেলার স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল জুভেন্টাস। আমস্টারডামে ডাইভিং হেড করা রোনালদোই ছিলেন উজ্জীবিত ডাচ দলের বিপক্ষে জুভেন্টাসের একমাত্র অস্ত্র। তিনি ছাড়া আর কোনো খেলোয়াড়রই নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি। গত গ্রীষ্মে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে রোনালদোকে জুভেন্টাসে আনাই হয়েছিল ১৯৯৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে। সর্বশেষ শিরোপা জয়ের পথে ফাইনালে এই আয়াক্সকেই পরাজিত করেছিল জুভেন্টাস।

জুভ কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি বলেন, ‘শেষ চারে যাওয়াটা আয়াক্সের প্রাপ্য ছিল। আমরা আরও ভালো খেলতে পারতাম। কিন্তু আয়াক্স আমাদের সেটা খেলতে দেয়নি। দুই বছর আগে তারা ইউরোপা লিগের ফাইনালে খেলেছিল এবং রিয়ালের বিপক্ষে এবার পাঁচ গোল করেছে। এটা আমাদের সবচেয়ে বাজেভাবে বিদায় নয়। যদিও আমাদের ওপর প্রত্যাশার ব্যাপক চাপ ছিল।