advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দেশীয় না পেলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান দিয়ে ভাঙা হবে

১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৫৭
আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩৫

হাতিরঝিলে বিজিএমইএর ছেড়ে যাওয়া ভবনটি ভাঙতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এ ক্ষেত্রে যোগ্য দেশীয় প্রতিষ্ঠান না পেলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডাকা হবে। ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়ে ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ২৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে। গতকাল বুধবার ভবনটি ভাঙা বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, কোনোভাবেই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নয়, আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করেই বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙা হবে। টেন্ডারে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উপযুক্ত কিনা, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। প্রথমে দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিতে চাই। যদি তাদের যোগ্যতা না থাকে, বাইরের প্রযুক্তিসমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসব। বাইরের এ ধরনের প্রযুক্তিতে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে। কোনোভাবেই মানুষের জীবন ও মালের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে এ ভবন ভাঙা হবে না।

ভবনটি ভাঙতে ‘ডিনামাইট’ ব্যবহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এভাবে ভবন ভেঙে ফেলার একটি আধুনিক পদ্ধতি আছে, যা কোনোভাবেই ডিনামাইট বোমা মেরে ভবন ভাঙা নয়। এটা একটা নির্মাণ প্রযুক্তি এবং ভেঙে ফেলার একটা কৌশল।

তিনি বলেন, ভবনটি ভাঙার জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর আশপাশে যেন কোনো দুর্ঘটনা না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি; যেমন বিদ্যুতের লাইন অনেক দূরে সরিয়ে দেওয়া, পানি ও গ্যাসলাইন দূর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মতো বিষয় রয়েছে। ২৫ এপ্রিলের পর এক সপ্তাহের মধ্যে ভবনটি ভাঙার কার্যাদেশ দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়ে এ জাতীয় ইমারত ভাঙায় অভিজ্ঞদের ২৪ এপ্রিলের মধ্যে কোটেশন দাখিল করতে অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা আইনগত পদ্ধতি অনুসরণের স্বার্থে টেন্ডার আহ্বান করেছি। ২৫ এপ্রিলের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব, কোন সংস্থা উপযুক্ত। উপযুক্ত সংস্থা না পাওয়া গেলে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজউকের পক্ষ থেকে ভবনটি উচ্ছেদের জন্য যে প্রক্রিয়া দরকার তা আমরা করব।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা চাই রাষ্ট্রের চমৎকার একটি স্থাপনার (হাতিরঝিল) মাঝে এরকম বেআইনি একটি ভবন যেন টিকে না থাকে। কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। যে যেখানে বেআইনি স্থাপনা নির্মাণ করবেন তাদের সবাইকে আমরা আইনের আওতায় আনতে চাই। যাতে কেউ বলতে না পারে- ‘আমি ইমারত নির্মাণ করে ফেলেছি এখন আর কিছু করার নেই’। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আমরা এ পদক্ষেপগুলো কার্যকর করতে চাই।