advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জাতিসংঘের মাধ্যমে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চায় জাপান

১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৫৯
আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩৪

রোহিঙ্গাদের জন্য কোনো সহায়তাই পর্যাপ্ত নয় উল্লেখ করে জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাপান। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়েসু ইজুমি সম্প্রতি ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত জনগণকে সহায়তা ও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটিকে সহযোগিতা করতে আমাদের অনেক কাজ করার আছে। একই সঙ্গে তাদের (রোহিঙ্গা) নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

মিয়ানমারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় জাপান সহায়তা করবে বলেও জানান জাপানি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখতে চাই।

মানবিক দিক বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় কমিউনিটির সহায়তায় জাতিসংঘ, জাপানি এনজিও ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে জাপান সরকার ইতিমধ্যে ৮২.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সরবরাহ করেছে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত।

এদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মূলত রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে স্বশস্ত্র বৌদ্ধ বিদ্রোহীদের চলমান সংঘাতের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে চীন, লাওস, থাইল্যান্ড ও ভারত সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের অঞ্চলগুলোয় দ্বিতীয় ক্যাটাগরির ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির কাচিন রাজ্যের জন্য জারি করা হয়েছে তৃতীয় সারির ভ্রমণ সতর্কতা।