advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা!

মাদারীপুর প্রতিনিধি
১৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:০২ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:০২
advertisement
advertisement

মাদারীপুর সদর উপজেলায় পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় সেলিনা আক্তার (৫০) নামের এক গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার দক্ষিণ থানতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর স্বামী হারুন অর রশিদ নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

নিহত গৃহবধূর বাবা জমির আলী জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে শিবচরের কাদিরপুর ইউনিয়নের মানিক মাস্টারের কান্দি গ্রামের জমির আলীর মেয়ে সেলিনার সঙ্গে সদর উপজেলার দুধখালি ইউনিয়নের বড়কান্দি গ্রামের হারুন অর রশীদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সেলিনাকে অকারণেই মারধর করতেন স্বামী হারুন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুই বছর ধরে অপর এক নারীর সঙ্গে হারুণ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এতে বাধা দিলে সেলিনার ওপর নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার ভোরে এরই ধারাবাহিকতায় সেলিনাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের কঠোর শাস্তির দাবি জানান জমির আলী। 

এ বিষয়ে গৃহবধূর স্বামী হারুন আর রশিদ বলেন, ‘এলাকার মানুষের সাথে আমাদের বিরোধ ছিল। ভোরে আমি নামাজ পড়তে গেলে এলাকার মানুষ আমার স্ত্রীকে মেরে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।’

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একজন মহিলাকে আনা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চেক আপ করে দেখে তিনি মৃত। পরবর্তীতে আমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি অবহিত করি এবং পুলিশ এসে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য বললে আমরা ময়নাতদন্ত করি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলতে পারছি না।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘এক গৃহবধূর মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। পরবর্তীতে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে জানা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা। গৃহবধুর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা নিয়ে আসা হয়েছে।’

advertisement