advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
Dr Shantu Kumar Ghosh
advertisement
advertisement

তারেক-জোবাইদার তিনটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

আদালত প্রতিবেদক
১৮ এপ্রিল ২০১৯ ২১:৪৪ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩২

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের তিনটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ফ্রিজের আদেশ হওয়া তিনটি ব্যাংক হিসাবই যুক্তরাজ্যের suntander bank uk plc এর।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং এবং অর্থ পাচারপূর্বক বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধানকালে দুদক কর্তৃক তদন্ত টিম গঠন করা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের Suntander Bank UK এ পরিচালিত White and blue consultant Ltd. শীর্ষক প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের তিনটি ব্যাংক হিসাবে ৫৯ হাজার ৩৪১ দশমিক ৯৩ ব্রিটিশ পাউন্ড স্থানান্তরের  FIU, UK-এর নির্দেশে আটক আছে।

ওই অর্থ তারা অন্যত্র হস্তান্তর বা রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। তাই বর্ণিত অর্থের বিষয়ে এক্ষুণি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তা বেহাত হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৭ ধারা মতে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না বিধায় রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৪ ধারা মতে অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

আদালতের দুদকের এক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, আদেশটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে পাঠানো হবে। সেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়ে আদেশ কার্যকর করবেন।

প্রসঙ্গত, গত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনী। এরপর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়। তাকে ওই সব মামলায় ১২ দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পান। জামিনের আটদিন পর ১১ সেপ্টেম্বর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই রয়েছেন। কিন্তু তার অবর্তমানে তিনটি মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন তিনি। মামলাগুলো হলো-২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং লন্ডনে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা পাঁচারের মামলায় ৭ বছর এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড।