advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আগাম জামিন স্থগিত আবেদনের নিষ্পত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪৩

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৪ শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে করা একাধিক মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া আগাম জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ কিছু পর্যবেক্ষণসহ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করেন। তবে কী পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন তা বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে পূর্ণাঙ্গ রায়ে।

বিএনপি নেতাদের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন জানিয়েছেন, এ আদেশের ফলে হাইকোর্ট বিএনপি নেতাদের যে আগাম জামিন দিয়েছেন, তা নাকচ হয়নি এবং তাদের আগাম জামিন বহাল রয়েছে। এ ছাড়া আপিল বিভাগ তার লিখিত আদেশে আগাম জামিনের বিষয়ে গাইডলাইন দেবেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, তাদের জামিন বহাল আছে কিনা, তা পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পরই জানা যাবে।

যাদের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করেছিলেন, তাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া অন্যরা হলেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, দলের ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন ও বরকতউল্লাহ বুলু, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, ড্যাব নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন। এ ছাড়া একই মামলায় আসামি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আপিল বিভাগের আদেশের পর খন্দকার মাহবুব হোসেন আরও বলেন, আগাম জামিনের ব্যাপারে এর আগে আপিল বিভাগের একটি সিদ্ধান্ত রয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন চেয়ে আমরা একটি নীতিনির্ধারণ করে দিতে বলেছি। কারণ সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তাতে হাইকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। হাইকোর্টের ক্ষমতা খর্ব না করে জনস্বার্থে ওই সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হওয়া দরকার। এ বিষয়ে আপিল বিভাগের একটি গাইডলাইন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আগের গাইডলাইনের কারণে আগাম জামিন সীমিত হয়ে গেছে। আপিল বিভাগের লিখিত আদেশ পেলে এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিনা তা বোঝা যাবে। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে রাজধানীর হাতিরঝিল ও খিলগাঁও থানায় করা নাশকতার দুই মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন পান বিএনপি নেতারা। গত বছরের ১ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ। এ ছাড়া খিলগাঁও থানায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অপর একটি নাশকতার মামলা করা হয়।