advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লিজা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ

গাজীপুর প্রতিনিধি
১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪৫

গাজীপুরে কলেজছাত্রী লিজা হত্যার ঘটনায় কোনাবাড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ভাই সুজন বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার মোস্তাকিনকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে কোনাবাড়িতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে। কোনাবাড়ি এলাকার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় লিংকন মেমোরিয়াল কলেজ, কোনাবাড়ি ক্যামব্রিজ কলেজসহ কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীরা এসব কর্মসূচি পালন করে। তাদের সঙ্গে অভিভাবক ও কলেজ শিক্ষকরাও যোগ দেন। দুপুরে নানা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে শত শত শিক্ষার্থী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেমে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা মোস্তাকিন ও তার সহযোগীদের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সেøাগান দিতে থাকে। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের আশ্বাসে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীরা। জিএমপির কোনাবাড়ি থানার ওসি মো. এমদাদ হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত মোস্তাকিনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দেয়। তাকে বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর লিজার মরদেহ রাতেই গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গতকাল তার দাফন সম্পন্ন হয়।

নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শারমিন আক্তার লিজা কোনাবাড়ির আমবাগ ঈদগাহ মাঠ এলাকার গাড়িচালক শফিকুল ইসলামের মেয়ে। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে বড় ছিল লিজা। বুধবার সকালে কোনাবাড়ি ক্যামব্রিজ কলেজে বর্ষ উত্তীর্ণ পরীক্ষা দিতে কলেজে যান শারমিন। পরীক্ষা শেষে বিকাল আড়াইটার দিকে বাসায় ফেরার পথে কোনাবাড়ি কাঁচা বাজার এলাকায় লিংকন মিলে? নিয়াম কলেজের পাশে পৌঁছলে মোস্তাকিন তার গতিরোধ করে।

এ সময় অতর্কিতে শারমিনকে ছুরিকাঘাত করে মোস্তাকিন। প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তার ওপর এ হামলা চালায় মোস্তাকিন। পরে গুরুতর অবস্থায় শারমিনকে উদ্ধার করে রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ মেডিক্যালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কুর্মিটোলার একটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান লিজা। ওই সময় স্থানীয়রা মোস্তাকিনকে গণধোলাই দিয়ে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।