advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আশা ছাড়ছেন না ইয়াসির

১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১০:১০

বিপিএলের সবশেষ আসরে চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে খেলেছেন। ব্যাট হাতে ১১ ম্যাচে ৩০৭ রান করেন। সর্বোচ্চ ৭৮। গড় ২৭.৯০। স্ট্রাইকরেট ১২৪.২৯। এর পর চলমান ঢাকা লিগেও ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। ব্রাদার্সের জার্সিতে ১২ ম্যাচে ৮৫ গড়ে ৪২৫ রান করেছেন। সর্বোচ্চ ১০৬*। স্ট্রাইক রেট ১০০.৪৭।

বিপিএলের পর ঢাকা লিগের পারফরম্যান্স তাকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে আসে। বিশ্বকাপ দলে থাকার জোরালো সম্ভাবনা জাগায়। শেষমেশ অবশ্য স্বপ্নের বিশ্বকাপ-তরীতে ঠাঁই হয়নি চট্টগ্রাম থেকে উঠে আসা ২৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের। তবে আয়ারল্যান্ড সফরের দলে রাখা হয়েছে ইয়াসিরকে। সবকিছু ঠিক থাকলে আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়েই বাংলাদেশ দলে অভিষেক হতে যাচ্ছে তরুণ এই ক্রিকেটারের।

advertisement

গতকাল সুসান্ত উৎসবকে দেওয়া ইয়াসিরের সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো-

আমাদের সময় : বিশ্বকাপ দলে থাকার গুঞ্জন ছিল। দল ঘোষণার পর নিজের নাম না দেখে মন খারাপ হয়েছিল কিনা...

ইয়াসির আলি : না। তেমন কোনো ফিলিংস হয়নি। খুশি ছিলাম! কোনো চাপ ছিল না। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন। আয়ারল্যান্ডে ভালো খেললে সুযোগ পেতেও পারি। দেখা যাক।

আমাদের সময় : আয়ারল্যান্ড সফর নিয়ে কী পরিকল্পনা করছেন?

ইয়াসির আলি : তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। সুযোগ পেলে আমি আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করব।

আমাদের সময় : জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের অপেক্ষায়। স্বপ্ন পূরণ হতে চলায় রোমাঞ্চিত নিশ্চয়?

ইয়াসির আলি : অবশ্যই। হয়তো এ সফরের মধ্য দিয়েই জাতীয় দলে আমার অভিষেক হতে চলেছে। একটু তো রোমাঞ্চ অনুভব করছিই।

আমাদের সময় : একাদশে সুযোগ পেলে আপনার লক্ষ্য কি থাকবে?

ইয়াসির আলি : ভালো কিছু করা। দলের জয়ে অবদান রাখা।

আমাদের সময় : কোন পজিশনে ব্যাটিং করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?

ইয়াসির আলি : ৪-৫ নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমাদের সময় : ক্রিকেটে আপনার আইডল কে? ইয়াসির আলি : তামিম ইকবাল।

আমাদের সময় : অভিষেক হলে জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা নিশ্চয় পাকাপোক্ত করতে চাইবেন?

ইয়াসির আলি : অবশ্যই। প্রত্যেক খেলোয়াড়ই তো জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চায়। আমার সামনেও সুযোগ। একাদশে সুযোগ পেলে বাংলাদেশ দলে আমার অভিষেক হবে। চেষ্টা করব, ভালো খেলার; জাতীয় দলে নিজের একটা পজিশন তৈরি করার।

আমাদের সময়: আপনার ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে কার অবদান সবচেয়ে বেশি?

ইয়াসির আলি: আমার বাবার অনুপ্রেরণাতেই আমি ক্রিকেটার হতে পেরেছি।

আমাদের সময়: ২০১৪ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে লিটন, মোস্তাফিজ, মিরাজদের সঙ্গে খেলেছেন। এদের প্রত্যেকেই এখন জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। অথচ আপনার এখনো অভিষেকই হয়নি...

ইয়াসির আলি: ওদের মতো সুযোগের অপেক্ষায় আছি। আশা করছি, আমারও সেই সুযোগটা আসবে। সুযোগ পেলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।