advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নাটকীয়তা শেষে সেমিতে টটেনহ্যাম

ক্রীড়া ডেস্ক
১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১০:১০

ম্যাচের ৯৩ মিনিটে রাহিম স্টার্লিং গোল করে উদযাপনও করে ফেলেছিলেন। রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫-৩ গোলে জিতে সিটিই তখন সেমিফাইনালে। মাটিতে শুয়ে পড়েছেন টটেনহ্যাম হটস্পার খেলোয়াড়রা। হুগো লরিস জানেন, ম্যাচটা আর বাঁচাতে পারলেন না তিনি।

তবে ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদল ফুটবলের ধর্ম। স্টার্লিংয়ের উদযাপন তখনো থামেনি। কিন্তু রেফারি এরই মধ্যে কানে হাত দিয়ে ফেলেছেন। তিনি প্রথমে জানলেন, এর পর জানালেন। মাঠের জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে উঠল, নো গোল! অফসাইড! গোলের বিল্ডআপে সার্জিও অ্যাগুয়েরো ছিলেন অফসাইডে। গোল বাতিল! এর পর আর কয়েক সেকেন্ড বাকি ছিল। রেফারির শেষ বাঁশির পর এবার লুটিয়ে পড়লেন স্টার্লিংরা। আর লরিসরা মাতলেন উৎসবে। তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে প্রথম ১১ মিনিটের মধ্যেই চার গোল হয়েছে। রাহিম স্টার্লিংয়ের গোলে সিটিজেনরা এগিয়ে যাওয়ার পর দক্ষিণ কোরীয় তারকা সন হেয়াং-মিন দুই গোল করে টটেনহ্যামকে এগিয়ে দেন। এর পর বার্নার্ডো সিলভা সিটির পক্ষে সমতা ফেরান।

advertisement

২১ মিনিটে স্টার্লিংয়ের দ্বিতীয় গোলে সিটি দুই লেগ মিলিয়ে নিজেদের সমতায় ফেরায়। দ্বিতীয়ার্ধে সার্জিও অ্যাগুয়েরোর গোলে পেপ গার্দিওলার দল ৪-২ গোলে এগিয়ে গিয়ে প্রথমবারের মতো লিড পায়। কিন্তু ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি। ম্যাচ শেষের ১৭ মিনিট আগে ফার্নান্ডো লোরেন্তের বিতর্কিত গোলে টটেনহ্যাম ম্যাচে ফিরে আসে। যদিও ভিএআর প্রযুক্তিতে নিশ্চিতভাবে দেখা গেছে বলটি স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লোরেন্তের হাত স্পর্শ করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলটি বাতিল না হওয়ায় ম্যাচে ৪-৩ গোলে পরাজিত হয়েও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪এর সমতায় অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে টটেনহ্যাম সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। নিজেদের দুর্ভাগ্যটা মেনে নিচ্ছেন পেপ গার্দিওলা।

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময়ই ভিএআরের পক্ষে। হয়তো একটা অ্যাঙ্গেল দিয়ে লোরেন্তের গোল হ্যান্ডবল ছিল, রেফারির হয়তো তেমনটা মনে হয়নি। আমি সব সময়ই চাই রেফারি সঠিক সিদ্ধান্ত নিক।