advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অভিযুক্ত ৯১ শিক্ষার্থীর তথ্য সিআইডির হাতে

১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০১:২১
আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) জালিয়াতি করে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী এবং তাদের সহায়তাকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১ শিক্ষার্থীর তথ্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডির পক্ষ থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযুক্ত এসব শিক্ষার্থীর বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। পরে চলতি মাসের (এপ্রিল) দ্বিতীয় সপ্তাহে সিআইডিকে এসব তথ্য দেয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ১৩ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৯, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৮, অর্থনীতি বিভাগের ৫, মনোবিজ্ঞানের ৫, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪, আইন বিভাগের ৪, ইসলামিক স্টাডিজের ৪, পদার্থবিদ্যার ৩, ফার্মেসির ৩, বাংলার ৩, বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতির ৩, ফলিত রসায়নের ২, ইতিহাসের ২, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ২, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্সের ২, ফিন্যান্সের ২, মার্কেটিং বিভাগের ২, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অধ্যয়য়ের ২, স্বাস্থ্য অর্থনীতির ২, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের ২ এবং সংস্কৃতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ বৈকল্য, হিসাববিজ্ঞান, ইংলিশ ফর আদার ল্যাংগুয়েজ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান এবং পালি বিভাগসহ আরও বেশ কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীর তথ্যও চেয়েছে সিআইডি।

জানা গেছে, সিআইডির চাওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা, শিক্ষাবর্ষ, ইউনিট, বিষয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল, সেমিস্টারভিত্তিক পরীক্ষার ফল এবং পুনঃভর্তির বিস্তারিত তথ্য। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্তের জন্য সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী সুপার সুমন কুমার দাশ স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য চাওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ভর্তি জালিয়াতি করে যারা ভর্তি হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। গত সপ্তাহে এমন তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন এলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের করণীয়গুলো বাস্তবায়ন করবে। গত বছরও আমরা ১৫ জনকে বহিষ্কার করেছি।