advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ এক কমিটিতে পার ৭ বছর

১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৩২
আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২২

কৃষকের স্বার্থে কাজ করবে এমন প্রত্যাশায় ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সংগঠনকে গতিশীল রাখতে তিন বছর পর পর নতুন কমিটি গঠনেরও নিয়ম করা হয়েছিল। তবে বর্তমান কমিটি পার করে দিয়েছে সাত বছর। তার পরও আগামীতে সম্মেলন করার কোনো প্রস্তুতি নেই তাদের। এ অবস্থায় আজ ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে সংগঠনটি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি নিয়েছে সংগঠনটি। কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা গতকাল বৃহস্পতিবার আমাদের সময়কে জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় র‌্যালি বের করা হবে। রাজধানীর সব ইউনিটের নেতারা ধানমন্ডি ৩২-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরদিন বেলা ৩টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ অফিস মিলনায়তনে আলোচনাসভা হবে। এতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। সূত্রমতে, অন্যান্য বছরের মতো এবারও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে কোনো ভিন্নতা নেই। কৃষকদের স্বার্থরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কৃষকদের অধিকার নিয়ে কোনো কথা নেই। নেই তাদের অংশগ্রহণও। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা সংগঠনের দিবসভিত্তিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আমাদের সময়কে কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত বললেও কবে সম্মেলন হবে, এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই ফোন রেখে দেন সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা। এর পর কথা হয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুল হক রেজার সঙ্গে। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সময় দিলে আমরা যে কোনো সময় সম্মেলন আয়োজনে প্রস্তুত। কৃষক লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১২ সালের ১৯ জুলাই।

কৃষক লীগের তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কৃষক লীগের বর্তমান কমিটির নেতারা নিজের স্বার্থসিদ্ধির পাশাপাশি এখন শুধু দিবসভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ আছেন। এতে ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনটি এখন নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এক নেতা বলেন, এক কমিটি দীর্ঘদিন থাকলে অন্যরা সুযোগ পাবে কীভাবে? সবাই সবকিছুর দায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর চাপিয়ে দেন।