advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৫ মার্চ গণহত্যার স্বীকৃতি দুই বছরের মধ্যেই

১৯ এপ্রিল ২০১৯ ০১:৩২
আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২১

দুই বছরের মধ্যে ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফরেন সার্ভিস ডে’তে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ‘জেনোসাইড কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়। এ কর্নারে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় বাংলাদেশি কূটনীতিক ও দূতাবাসকর্মীরা পাকিস্তানের শাসন অস্বীকার করে পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারের কার্যভার গ্রহণ করেন। তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

advertisement

খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার তথ্য নেই : গতকাল মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়া সংক্রান্ত কোনো তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেই। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য দূতাবাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কিছু জানিয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা এ বিষয়ে কিছু জানি না। চিত্রনায়ক ফেরদৌস ভারতে গিয়ে রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নিয়ে ঠিক করেননি বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর ব্রুনাই সফরে ৭ চুক্তি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২১-২৩ এপ্রিল ব্রুনাই সফরকালে দেশটির সঙ্গে সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে। আমরা ছয়টি এমওইউ চূড়ান্ত করেছি। একটি এমওইউ বিবেচনাধীন রয়েছে। ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ আশ্বাস পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ সফর সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। কৃষি, মৎস্য, পশুসম্পদ, যুব ও ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও জ্বালানি খাতে ৬ এমওইউ চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ব্রুনাই। দেশটি ওআইসি ও আসিয়ানের সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, আমরা যেখানেই যাচ্ছি আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি নিরাপত্তা জোন গঠনের জন্য আসিয়ানে প্রস্তাব দিয়েছে। বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পর যাতে নিরাপদ বোধ করে এজন্য আসিয়ান সদস্য দেশগুলো ওই নিরাপদ অঞ্চল মনিটর করতে পারে।