advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বগুড়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী স্বর্গ নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:১৪ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:১৪
advertisement
advertisement

বগুড়ায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাফিদ আনাম স্বর্গ (২৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বগুড়ার উপশহর-ধরমপুর সংযোগকারী ধুন্দল সেতুর দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে সুবিল খালপাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

তবে স্বর্গের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কারণ স্বর্গ জেল থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিল।

নিহত রাফিদ আনাম স্বর্গ বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া শহীদনগর এলাকার বাসিন্দা। তার স্ত্রী ও চার বছরের এক ছেলে রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাত দেড়টার দিকে ধুন্দল সেতু এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শুনে পুলিশের কয়েকটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি গুলি ও একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান তাকে উদ্ধার করে টহল পুলিশের গাড়িতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের নিয়ে যান। সেখানে স্বর্গকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন তাকে ঠনঠনিয়া শহীদ নগর (খান্দার) এলাকার সন্ত্রাসী ‘স্বর্গ’ হিসেবে শনাক্ত করে।

নিহত স্বর্গের মা সাবিনা ইয়াসমিন দাবি করে বলেন, পুলিশ ইচ্ছে করেই পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। সে জেল থেকে বের হওয়ার পর শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে জড়িত থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছিল।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সনাতন চক্রবর্তী জানান, পুলিশের রেকর্ডে দেখা যায়, নিহত স্বর্গের নামে বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর থানায় খুন, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে সাতটি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি শাজাহানপুরের জামাদারপুকুর এবং শহরের খান্দার-মালগ্রাম এলাকায় সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

advertisement