advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নীতিনৈতিকতার মূলে আঘাত

এম এইচ রবিন
২০ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:০১

রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির প্রথম সাময়িক পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে তিন জায়গায় অপ্রাসঙ্গিক নাম ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবার নাম এবং ‘আম-আঁটির ভেঁপু’র রচয়িতার সম্ভাব্য নাম হিসেবে রাখা হয়েছে পর্নোতারকা মিয়া খলিফা ও সানি লিওনের নাম। আরেক বিখ্যাত লেখকের জন্মস্থান হিসেবে বলা হয়েছে বলধা গার্ডেনের কথা। কিশোরদের জন্য এ ধরনের প্রশ্নপত্র তৈরিকে নীতিনৈতিকতার মূলে আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।

তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয় আসে কী করে? অপ্রাসঙ্গিক শুধু নয়, অবাঞ্ছনীয়ও। নবম শ্রেণিতে এমন একটি বয়স, এই বয়সী শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সংবেদনশীল থাকে। সেখানে এ ধরনের প্রশ্ন যখন আসে, তখন তা একেবারে নীতিনৈতিকতার মূলে আঘাত হানে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কী বার্তা দেওয়া হলো? তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখেই অনুমান করা যায়। সাধারণ মানুষ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, সবার মধ্যেই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, এই প্রশ্নপত্রের সঙ্গে সরকার সম্পৃক্ত নয়। স্কুল কর্তৃপক্ষই দায়ী। যিনি প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন তিনি দায়ী। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়া যাবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, কেন এমন হয়েছে তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা উচিত। একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্ব আছে। শুধু সতর্ক করলেই চলবে না। এটি যদি ইচ্ছে করে হয়, তা হলে অমার্জনীয় অপরাধ। ভুল হলে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জায়গায় অ্যাড্রেস করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিরও দায়বদ্ধতা আছে। তাদের একাডেমিক বিষয়গুলোতেও গুরুত্ব দিতে হবে।