advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্রুত বিচার দাবিতে ৫ সংগঠনের মানববন্ধন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
২০ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩০

টাঙ্গাইলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার শহরের শহীদ মিনারের সামনে টাঙ্গাইল সংগ্রহশালা, মোনালিসা উইমেন্স স্পোর্টস একাডেমি, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, শিকড় ও টাঙ্গাইল সিটিজেন জার্নালিস্ট এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সংগ্রহশালার সচিব মির্জা মাসুদ রুবল, মোনালিসা উইমেন্স স্পোর্টস একাডেমি পরিচালক কামরুনাহার খান মুন্নি, শিক্ষক নেত্রী মরিয়ম মিলন, বিটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জে সাহা জয় ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা।

এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তারা ধর্ষণকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান। এ ছাড়া গোপালপুরে পাকিস্তানি তরুণীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, মির্জাপুরের গোড়াইয়ে একটি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এক নারী। একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তার স্বামীও। গত ১২ এপ্রিল রাতে ওই নারী স্বামীকে নিয়ে কালিহাতী উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে সিএনজিতে করে মির্জাপুরে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। রাত ১০টার দিকে টাঙ্গাইল নতুন বাসটার্মিনালে তারা নামেন। এর পর তিন বখাটে স্বামীকে ডেকে দূরে নিয়ে যায় এবং মারপিট করে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনা দেখে স্ত্রী সেখানে গেলে তাকে জোরপূর্বক সিএনজি পাম্পের পেছনের লেকের পারে নিয়ে যায় তিন বখাটে। সেখানে হত্যার ভয় দেখিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করে বখাটে ইউসুফ ও রবিউল ইসলাম রবিন। তার পর তুলে দেয় মফিজ নামে আরেক বখাটের হাতে। পরে মফিজ ও আরও তিনজন ওই নারীকে কোদালিয়া এলাকায় নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। রাত ১২টার দিকে ইউসুফ ও রবিনের কাছ থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ওই নারীর স্বামী।

নতুন বাসটার্মিনাল এলাকার এক সিএনজি চালকের সাহায্যে তিনি টাঙ্গাইল থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। পরে পুলিশের চারটি দল রাতভর শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছয় ধর্ষককে গ্রেপ্তার ও ওই নারীকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং তিনজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।