advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কোম্পানীগঞ্জে হাসপাতালে লাশ রেখে স্বামী পলাতক

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
২০ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩২

যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূ শারমিন আক্তার রিতুকে (২০) শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে পুলিশ কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে রিতুর শ্বশুর আবুল কালাম (৪৪) ও শাশুড়ি আরাধনীকে (৪০) আটক করা হয়েছে। আর স্বামী মোশারফ হোসেন বাহাদুর স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন।

রিতু নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আদর্শনগর গ্রামের কালা মিয়ার নতুন বাড়ির মোশারফ হোসেন বাহাদুরের স্ত্রী। ২০১৭ সালে চরফকিরা ইউনিয়নের চরকালী গ্রামের কামাল মেস্তরীর নতুন বাড়ির ফখরুল ইসলাম সবুজের মেয়ে শারমিন আক্তার রিতুর সঙ্গে একই ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে ওমান প্রবাসী মোশারফ হোসেন বাহাদুরের বিয়ে হয়।

রিতুর মা তৈয়বের নেছার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে শারমিনের শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে যৌতুকের জন্য রিতুকে চাপ দেওয়া হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। সামাজিকভাবে এর প্রতিকার চেয়েও পাওয়া যায়নি। যৌতুক না পেয়ে রিতুকে হত্যা করে লাশ কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে স্বামী মোশারফ হোসেন বাহাদুর পালিয়ে গেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, হাসপাতাল সূত্রে সংবাদ পেয়ে রিতুর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে, এটি হত্যা, না আত্মহত্যা। অভিযোগ থাকায় রিতুর শ্বশুর ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে।