advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভর্তুকিতে বাড়ছে বরাদ্দ

আবু আলী
২১ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯ ০০:৫০

আগামী অর্থবছরে ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ৩৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪২ হাজার ১০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। খবর অর্থ বিভাগ সূত্রের।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের জন্য ভর্তুকি খাতে ২৩ হাজার ৬০০ কোটি, প্রণোদনা খাতে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি এবং নগদ সহায়তা খাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। অন্যবারের মতো আগামী অর্থবছরে ভর্তুকিতেই বেশি বরাদ্দের প্রাক্কলন করা হয়। এ খাতে প্রাক্কলিত বরাদ্দের পরিমাণ ২৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দেওয়া হবে বিদ্যুৎ খাতে।

বিদ্যুতে ভর্তুকির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলন করা হয় ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছর থেকে আগামী অর্থবছর এ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা কমছে। চলতি অর্থবছর ভর্তুকি রয়েছে ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

খাদ্যে ভর্তুকির পরিমাণ ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। খাদ্যেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় ১০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। এ ছাড়া অন্য খাতের জন্য ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রাক্কলন করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে প্রণোদনা খাতে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে কৃষি খাতের জন্য ৯ হাজার কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করা হচ্ছে। রপ্তানি নগদ প্রণোদনাও রাখা হচ্ছে ৪ হাজার কোটি টাকা।

আর পাট খাতের জন্য ৫০০ কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করছে অর্থ বিভাগ। পাশাপাশি আগামী অর্থবছরে নগদ ঋণ খাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করা হচ্ছে। তবে এ পাঁচ হাজার কোটি টাকার মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হচ্ছে না।

চলতি অর্থবছরও এ দুই খাতে কোনো বরাদ্দ রাখেনি সরকার। বরং অন্য খাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার রাখার প্রাক্কলন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় গত কয়েক অর্থবছর ধরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) কোনো ভর্তুকি দেয়নি সরকার।

আগামী অর্থবছরেও তাই ধারাবাহিকতার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বিদ্যুৎ খাতে পিডিবির ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অনুযায়ী মূল্য সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে। তাই এ খাতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না।