advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এমডির দাবি ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪০

দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা ওয়াসা। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে করে এ প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেয় ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান।

তিনি বলেন, ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। গত বুধবার টিআইবি গবেষণা উপস্থাপন করে জানায়, ঢাকা ওয়াসার পানির নিম্নমানের কারণে ৯৩ শতাংশ গ্রাহক বিভিন্ন পদ্ধতিতে পানি পানের উপযোগী করে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ গ্রাহকই পানি ফুটিয়ে পান করে। গৃহস্থালি পর্যায়ে পানি ফুটিয়ে পানের উপযোগী করতে প্রতিবছর আনুমানিক ৩৩২ কোটি টাকার গ্যাসের অপচয় হয়।

advertisement

‘ঢাকা ওয়াসা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে টিআইবি। রাজধানীর ধানম-ির মাইডাস সেন্টারে ওই সংবাদ সম্মেলন হয়। টিআইবির গবেষণা প্রত্যাখ্যান করে তাকসিম এ খান বলেন, টিআইবি যে পদ্ধতিতে এ গবেষণা করেছে, তা একপেশে ও উদ্দেশ্যমূলক। এটি পেশাদারি গবেষণা হয়নি। ৩৩২ কোটি টাকার অপচয়ের বিষয়ে টিআইবির গবেষণা অনুমাননির্ভর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানি উৎস থেকে গ্রাহকের জলাধার পর্যন্ত পানি সম্পূর্ণ শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ। সবাই এ পানি ফুটিয়ে খায়, এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে তাকসিম এ খান বলেন, জারের পানি ও বোতলজাত পানি তা হলে কোথায় যায়।

গ্যাসের অপচয় সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, টিআইবির গবেষণায় অপচয়ের কথা বলা হয়েছে কিন্তু রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে ৪০০ কোটি টাকা এবং সিস্টেম লস কমানোর মাধ্যমে আরও ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করছে ওয়াসা। বিষয়টি টিআইবির গবেষণায় উল্লেখ করা হয়নি। তাকসিম এ খানের দাবি পানি ফুটিয়ে নয়, শুধু শুধু চুলা জ্বালিয়ে গ্যাসের অপচয় করা হয়। বিষয়টি টিআইবির গবেষণায় ওয়াসার পানির নিম্নমান সম্পর্কে তিনি বলেন, এই তথ্য সঠিক নয়। ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। কোনো ধরনের ল্যাব টেস্ট না করেই টিআইবি এ মন্তব্য করেছে।

তাকসিম এ খান আরও বলেন, গত ১১ থেকে ১৯ নভেম্বর ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ২৪৩টি পানির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই নমুনা পরীক্ষা করে পানির মান সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। তবে মাঝে মধ্যে কিছু পুরনো সরবরাহ লাইনে দূষিত পানি পাওয়া যায়, যা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক করা হয়।