advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রাথমিকে নিয়োগ হবে ২০ শতাংশ রিজার্ভ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:০৬
advertisement

পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মাতৃত্বকালীন ছুটি, অন্যান্য দায়িত্ব পালনের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। তাই নির্বিঘ্নে পাঠদান পরিচালনার জন্য রিজার্ভ শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব জানান, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে যারা প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী, তাদের গুণগত শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হলে এটা অর্জন করা সম্ভব হবে না। এদিকে প্রশিক্ষণ ছাড়াও নানা ধরনের ছুটিতে থাকায় বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক সংকট থাকে। তাই কোমলমতি শিশুদের পাঠদান নিশ্চিত করতে আপৎকালীন ২০ শতাংশ রিজার্ভ শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইিডিপি-৪) কনসালট্যান্টকে প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মো. আকরাম-আল-হোসেন। জানা গেছে, নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পর বাধ্যতামূলক দেড় বছরের ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন (ডিপিএড) প্রশিক্ষণ নিতে হয়। এ ছাড়া শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ (টিওটি), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), চাহিদাভিত্তিক সাব-ক্লাস্টারসহ স্বল্পমেয়াদি আরও বেশকিছু প্রশিক্ষণ নিতে হয়।

পাশাপাশি শিক্ষক বিএড, এমএডসহ নানা ধরনের কোর্সও করতে হয়। বর্তমানে পিইডিপি ৪-এর মাধ্যমে শিক্ষকদের বিদেশে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) কোর্স করানো হচ্ছে। আবার প্রাথমিকে শিক্ষকদের ৬৮ ভাগ নারী হওয়ায় তাদের অনেকেই ছয় মাস মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকেন। অন্য শিক্ষকরাও বিভিন্ন ছুটি ভোগ করেন। ফলে বছরে গড়ে ২৭০ দিন বিদ্যালয় খোলা থাকলেও শিক্ষকের অভাবে ক্লাসে পাঠদান ব্যাহত হয়। সময়মতো কোর্সও শেষ করা যায় না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরনো ৩৮ হাজার ৯১৬টি ও নতুন জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয় ২৬ হাজার ৬১৩টি। এগুলোয় শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭ ও নারী শিক্ষক ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ জন। পুরনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতকরা ৬৮ দশমিক শূন্য দুই ভাগ নারী শিক্ষক ও নতুন সরকারি বিদ্যালয়ে এই হার ৫৬ দশমিক শূন্য চার ভাগ।

advertisement