advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাত আসামির যাবজ্জীবন খালাস ১৬

আদালত প্রতিবেদক
২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:২২
advertisement

পূর্বশত্রুতার জেরে মুন্সীগঞ্জে শাহীন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মনির কামাল এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-সোহেল চৌকিদার, এমারত চৌকিদার, আওলাদ চৌকিদার, মো. বাঁধন, রনি কাজী, রাজা খাঁ ও মাসুদ তালুকদার। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রাজা খাঁ বাদে অপর আসামিরা পলাতক।

আর খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন-রনি সিকদার ওরফে কানা রনি, জসীম ওরফে চৌরা জসিম, মুক্তার হাওলাদার, আমজাদ হোসেন, জহুরুল কাজী, শাহীন চৌকিদার, সাব্বির শেখ, শাকিল শেখ, রাসেল হাওলাদার, মিঠু হাওলাদার (মিঠু), জুয়েল মোল্লা, সেতু মোল্লা, রুবেল মৃধা, ভুট্টু চৌকিদার, বাবু খাঁ ও রিমন খাঁ। এর মধ্যে প্রথম আটজন পলাতক, বাকিরা আদালতে হাজির ছিলেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৬ মার্চ ভিকটিম শাহীন ঢাকা-দোহারগামী বাস আরাম পরিবহনে করে শ্রীনগরে বাড়ি যাচ্ছিলেন।

এদিকে শ্রীনগরের আলামিন বাজার বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশের ব্রিজের ওপর আসামিরা ওঁৎ পেতে থাকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসটি থামিয়ে শাহীনকে খুঁজে বের করে আসামি সোহেল পিস্তল দিয়ে তার বুকের বাম দিকে ও রাজা ডান পাশে গুলি করে। আর রাসেল গুলি করে শাহীনের পেটে, বাঁধন বাম পায়ের হাঁটুর ওপরে।

মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভুট্টু, রনি, আওলাদ তাদের হাতে থাকা রাম দা দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি কোপায়। একসময় আসামিরা ফাঁকা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। এর পর লোকজন শাহীনকে উদ্ধার করে ফুলতলা রাজ্জাক হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানেই মারা যান তিনি।

ওই ঘটনায় শাহীনের ফুফু কানন বেগম শ্রীনগর থানায় চার দিন পর ১১ মার্চ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। ঘটনা তদন্ত করে মুন্সীগঞ্জের সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ আবদুর রহিম তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৭ মার্চ চার্জগঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত ২৯ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

advertisement