advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কার্যকর উদ্যোগ নিন

২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩৬
advertisement

দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ নির্দিষ্ট গ-ির মধ্যে আটকে আছে। কোনোভাবেই ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানো যাচ্ছে না। অথচ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। একই অবস্থায় রয়েছে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণও। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে জিডিপির ৩১.২৩ শতাংশ বিনিয়োগ হয়েছে।

এর মধ্যে সরকারি বিনিয়োগ অনুপাত ৭.৯৭ শতাংশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ মাত্র ২৩.২৬ শতাংশ। সরকারের বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে সরকারি বিনিয়োগ বাড়লেও এ ক্ষেত্রে আশানুরূপ হারে বাড়েনি বেসরকারি বিনিয়োগ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রতি বেশি জোর দিতে হবে। বিনিয়োগ ও সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ হচ্ছে এখন। সন্দেহ নেই, সুবর্ণ সময় পার করছি আমরা। সম্পদের সদ্ব্যবহারের ওপরই নির্ভর করছে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। এ অবস্থায় সম্ভাবনা থাকলেই হবে না, তার ব্যবহারেও যথাযথ ও সুষ্ঠু উদ্যোগ থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। অর্থনীতিবিদরা বিনিয়োগ বাড়াতে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এগুলো হলো-অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং আইনকানুন সহজ করা।

এর পাশাপাশি আমরা বলব, অনেক দেশ বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। সেসব দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকতে না চাইলে আমাদেরও একই পন্থা অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখা দরকার, বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, কমবে বেকারত্ব। এর সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রশ্ন জড়িত। কাজেই বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে আইনের শাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বাণিজ্যসহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবসা সম্পর্কিত নীতিমালা আরও সহজ করা প্রয়োজন।

advertisement