advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নতুন মোড়কে নষ্ট পুরনো খেজুর

বাদামতলীর মৌসুমী ট্রেডার্সের জরিমানা ২৬ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৫৩
advertisement

বাদামতলীর পাইকারি ফলের আড়ত। প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স মৌসুমী ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানটির গুদাম ও কোল্ড স্টোরেজে রক্ষিত চার হাজার কেজি খেজুর রাজধানীর খুচরা বাজারে সরবরাহ করার জন্য প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে সাঁটা হচ্ছে মেয়াদ কবে শেষ হবে সেই তারিখযুক্ত নতুন স্টিকার। মেয়াদকাল-১ আগস্ট ২০২০।

খেজুরভর্তি এসব প্যাকেটে এর আগেরবার যে স্টিকার লাগানো হয়েছিল, তাতে যে মেয়াদকালের উল্লেখ ছিল তা শেষ হয়ে গেছে ২০১৮ সালে। আর খেজুরের মেয়াদ শেষ হয়েছে এরও এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে। পবিত্র মাহে রমজান সামনে রেখে হাজি তারেক আহমেদের এ প্রতিষ্ঠানে দুবছর আগে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া খেজুর প্যাকেট করা হচ্ছিল। এ কাণ্ড চলাকালে সেখানে অভিযান চালায় র‌্যাব-১০ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে চলা এ অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির গুদাম ও কোল্ড স্টোরেজ থেকে প্রায় ৪ হাজার কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর জব্দ করা হয়। এ অপরাধে তিন ম্যানেজারকে কারাদণ্ডসহ ২৬ লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌসুমী ট্রেডার্সের শোরুম ও কোল্ড স্টোরেজে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে পচা ও মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুরের মজুদ পাওয়া যায়। এসব খেজুর মদিনা থেকে আমদানি করা বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বসিয়ে পচা খেজুর বিক্রির অপরাধে মৌসুমী ট্রেডার্সের তিন ম্যানেজার ফারুক, তানভীর ও শফিকুলকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর প্রতিষ্ঠানটিকে ২৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে; জব্দ করা হয়েছে ৪ টন বা ৪ হাজার কেজি খেজুর। মৌসুমী ট্রেডার্সের কোল্ড স্টোরেজ, গুদাম ও শোরুম সিলগালা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতেও মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর পাওয়া গিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানের মালিক বর্তমানে গা ঢাকা দিয়ে আছেন। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

advertisement
Evall
advertisement