advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দেশে বাল্যবিয়ের হার ৫৯ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:২৭
বাংলাদেশে কিশোরীদের বাল্যবিয়ের হার ৫৯ শতাংশ। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের ৩১ শতাংশই গর্ভবতী হন। ৪৩ শতাংশ কিশোরী মা গর্ভজনিত সমস্যায় মৃত্যুবরণ করছেন। ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের কৈশোরকালীন প্রজনন হার প্রতি হাজারে ৭৮ জন। গতকাল রাজধানীর মিরপুরে ওজিএসবি হাসপাতালের সভাকক্ষে ‘কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ’ বিষয়ক সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানান। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন এমসিএইচ-সার্ভিসেস ইউনিটের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ-সার্ভিসেস ইউনিটের প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এঅ্যান্ডআরএইচ) ডা. মো. জয়নাল হক। জয়নাল হক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা কিশোর-কিশোরী এবং এই সময়কে কৌশোরকাল বলে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশের বেশি অর্থাৎ ১৬ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৩ কোটি ৬০ লাখ কিশোর-কিশোরী। বাল্যবিয়ে এবং কৈশোর মাতৃত্ব বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। কিশোর-কিশোরীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (৩০ শতাংশ) রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন। বিবিএসের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত কিশোরীদের ৪২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ যথাক্রমে সারাজীবন ও ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। এদের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনার অপূরণীয় চাহিদা ১৭ শতাংশ। কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবায় তথ্য ও পরামর্শ হিসেবে বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, খাদ্য ও পুষ্টি এবং বাল্যবিয়ে ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নয়টি বিষয় তুলে ধরেন ডা. মো. জয়নাল হক। যৌন ও প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা এবং মাসিক সংক্রান্ত সমস্যা ও ব্যবস্থাসহ সাতটি বিষয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পরিবার পরিকল্পনা ঢাকা বিভাগের পরিচালক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ব্রজ গোপাল ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারোয়ার, ঢাকা বিভাগের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ মোহাম্মদ হাসান ঈমান, পরিচালক (এমসিএইচ) ও লাইন ডিরেক্টর ডা. মোহাম্মদ শরীফ প্রমুখ।