advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভারতের বিচারব্যবস্থায় ক্ষমতার হস্তক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৬ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৩০
ভারতে বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। দেশটির বিচারব্যবস্থায় ধনী ও ক্ষমতাবানরা হস্তক্ষেপ করছে। গতকাল এ অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একে পট্টানায়ককে। একই সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশ, সিবিআই ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোপ্রধানকে। খবর এনডিটিভি। ঘটনার শুরু অবশ্য অন্য একটি অভিযোগ থেকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে এসেছেন সুপ্রিমকোর্টের সাবেক এক নারী কর্মী। এ ঘটনাকে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন একজন শীর্ষ আইনজীবী। উৎসব বইন্স নামে সুপ্রিমকোর্টের ওই আইনজীবীর দাবিÑ প্রধান বিচারপতিকে কালিমালিপ্ত করতেই এসব ষড়ন্ত্র চলছে। এমনকি এ ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে ওঠার জন্য তাকে দেড় কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। ষড়যন্ত্রের সব তথ্যপ্রমাণসহ আদালতে একটি হলফনামাও জমা দেন তিনি। সেই অভিযোগই গতকাল খতিয়ে দেখে বিচারপতি অরুণ মিশ্রসহ তিন বিচারপতি একে পট্টানায়েকের নেতৃত্বে তদন্তের নির্দেশ দেন। তবে এই তদন্তের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ যুক্ত হবে না। দুটি তদন্ত পৃথকভাবে হবে। যৌন হেনস্তার অভিযোগ তদন্তে বিচারপতি ববদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্যানেল ইতোমধ্যে তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অভিযোগকারীকে নোটিশও পাঠানো হয়েছে। গতকাল শীর্ষ আদালত জানান, ধর্নী ও ক্ষমতাশালীদের হাতে শীর্ষ আদালতকে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। বিশেষ বেঞ্চের প্রধান অরুণ মিশ্র বলেন, ধনী ও ক্ষমতাবানদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে, তারা আগুনের সঙ্গে খেলছেন। এদিকে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা আজ হুমকির মুখে। এর পেছনে বড় শক্তি কাজ করছে যারা প্রধান বিচারপতিকে নিষ্ক্রিয় করতে চায়।