advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রকল্পগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন হোক

২৬ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ২৩:৩১
advertisement

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার। দেশের সিংহভাগ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয় এ বন্দর দিয়ে। চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে অভিযোগের অন্ত ছিল না। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস করতে বেশি সময় লাগছে। কিছুদিন পর পরই এসব বিষয়ে প্রতিবেদন আমাদের অনেকটা গা-সওয়া হয়ে গিয়েছিল। তবে আশার কথা হলো, বর্তমানে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করায় সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বন্দরের চেহারও পাল্টে গেছে। আপতত আর কনটেইনারজট নেই। জেটিতে ভিড়তে আর ১০-১৫ দিন বহির্নোঙরে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না বিদেশি জাহাজকে। তবে কথায় বলে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। সব প্রকল্প যথাসময়ে শেষ হলেই পুরো সুফল মেলা সম্ভব। এ জন্য অবশ্যই জবাবদিহি থাকতে হবে।

আমাদের সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বহির্নোঙর এলাকা বেড়েছে প্রায় ছয় গুণ। এটি একটি ইতিবাচক বিষয় এবং ব্যবসা সহজীকরণ ও ব্যয় কমাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নানামুখী প্রকল্পে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও সক্ষম বন্দর গড়ে তুলতে বেশ কিছু প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আধুনিক কি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ নানা যন্ত্রপাতি কেনা, নতুন ইয়ার্ড ও টার্মিনাল নির্মাণ এবং ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী পোর্ট, মিরসরাই ইকোনমিক জোনে নতুন বন্দর তৈরি, বে-টার্মিনালে দুটি ডেলিভারি ইয়ার্ড নির্মাণ, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কাজও চলছে। ২০২১ সাল নাগাদ এসব প্রকল্প চালু হলে বন্দরের সক্ষমতা বেড়ে যাবে কয়েক গুণ।

বলার অপেক্ষা রাখে না, চট্টগ্রাম বন্দর পিছিয়ে পড়লে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দেশ পিছিয়ে পড়ে। আমরা দেখছি, বর্তমানে দেশে প্রতিনিয়ত ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে। সে ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরকেও প্রস্তুত হতে হবে। ইতোমধ্যে সক্ষমতা বাড়ানোয় কিছুটা সুফল মিলছে। বাকি প্রকল্পগুলো সময়ের মধ্যে শেষ করা চাই। কেননা বন্দরই একমাত্র অবলম্বন, যার মাধ্যমে স্বল্পব্যয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা যায়। কাজেই বন্দরের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি।

advertisement