advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জুলাই-এপ্রিল পোশাক খাতনির্ভর ইতিবাচক রপ্তানি আয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০১৯ ১৪:০৫
advertisement
advertisement

রপ্তানি আয়ের ধারা ইতিবাচক হলেও কয়েক বছর ধরে শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করেই এ ধারা ইতিবাচক ছিল। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি আয় বেশি ছিল ৬.৩৬ শতাংশ। কিন্তু মোট ৬৩ খাতের মধ্যে ২৫ খাতেই রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেনি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সম্ভাবনাময় চামড়া ও পাটপণ্যে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার কথা সরকার বললেও কয়েক মাস ধরে এ খাতের রপ্তানি আয় নেতিবাচক হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) ৩ হাজার ৩৯৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যার বিপরীতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ১৯০ কোটি ডলার। বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ সময়ে অর্জিত হয়েছিল ৩ হাজার ৪০ কোটি ডলার। পোশাক খাতের ওপর ভর করে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। এ খাতে ২ হাজার ৮৪৯ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬৭৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬.৫৩ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ সময়ে রপ্তানি ছিল ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। আর পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রায় বিশাল হোঁচট খেয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা ৮৮ কোটি ৭০ লাখ থাকলেও আয় হয়েছে ৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, যা প্রায় ২১.৬৫ শতাংশ কম। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯২ কোটি ডলার। কিন্তু বিগত অর্থবছরে এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৯১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। একবছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৮.৯৮ শতাংশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে অর্জিত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

advertisement