advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মুশফিকের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
১৩ মে ২০১৯ ২২:২৯ | আপডেট: ১৩ মে ২০১৯ ২৩:১২
advertisement

সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শুভসূচনা করেছিল বাংলাদেশ। ২৪৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে সৌম্যর ব্যাট থেকে ঝোড়ো সূচনা আসে। দলীয় ৫৪ রানে ব্যক্তিগত ২১ রানের মাথায় তামিম আউট হয়ে গেলেও অর্ধশতক করে ফিরেন সৌম্য। এখন দলকে টেনে জয়ের বন্দরে নিয়ে যাচ্ছেন মুশফিক। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ চার উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান। ক্রিজে আছেন মুশফিকুর রহিম (৩৯) ও মাহমুদুল্লাহ (০)। বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫৮ রান। হাতে আছে ছয় উইকেট ও ১৩ ওভার।

সৌম্য সরকার ৫৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ৬৬ বলে ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মারে এ রান করেন তিনি। দুই নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাকিব। তামিম আউট হন ২১ রান করে। সাকিব-সৌম্য  আউট হয়ে গেলে ক্রিজে আসেন মুশফিক-মিথুন। দুজনেই দুর্দান্ত খেলছিলেন। ৪৩ রানে হোল্ডারের বলে বোল্ড হয়ে মিথুন সাজঘরে ফিরে গেলে ভাঙে দুজনের জুটি।

ফিল্ডিংয়ে নেমে এক ম্যাচ পরেই নিজেকে ফিরে পেয়েছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করা অধিনায়ক মাশরাফি নিজেই। এই দুইজনের অগ্নিঝরা বোলিংয়ে টাইগাররা উইন্ডিজদের আটকে রেখেছে আড়াইশ রানের মধ্যেই।

ডাবলিনের মালাহাইড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে ক্যারিবীয় বিপক্ষে লড়ছেন টাইগাররা। টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উইন্ডিজ অধিয়ায়ক হোল্ডার। আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তোলে ক্যারিবীয়রা।

বরাবরের মতো শাই হোপ দুর্দান্ত খেলেছেন। বাংলাদেশকে পেলেই যেন জ্বলে ওঠেন এই  ক্যারিবীয় ওপেনার। মাশরাফি-মোস্তাফিজদের বলই যেন খেলতে ভালোবাসেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

পারফর্মেন্সই বলে দিচ্ছে সব, টাইগারদের বিপক্ষে এই ম্যাচসহ শেষ পাঁচ ম্যাচে তিনটিতেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি। একটিতে আউট হয়েছেন হাফ-সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে। এই ম্যাচে করেছেন ৮৭ রান।  অধিনায়ক হোল্ডার করেন ৬২ রান। এ ছাড়া আম্ব্রিস ২৩ ও রোস্টন চেজ ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরেন।

টাইগারদের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। ফিজ ৯ ওভার বোলিং করে ৪৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন। অথচ এর আগের ম্যাচে ১০ ওভারে ৮৪ রান দিয়েছিলেন কাটার মাস্টার। মাশরাফি গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ছিলেন দুর্দান্ত। ১০ ওভার বল করে ৬০ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

সবচেয়ে কৃপণ বোলিং করেছেন সাকিব আল হসান। ১০ ওভারে এক মেইডেনসহ মাত্র ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। এ ছাড়া মিরাজ ৪৩ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট।

advertisement